২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৬:৪৭:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার দ্রুত গণনির্বাসনে নতুন বিধি জারি নিউইয়র্ক সিটির আর্থিক সংকট মোকাবিলায় দেড় বিলিয়ন ডলার সহায়তা ঘোষণা ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষের স্বাস্থ্যবীমা ঝুঁকির মুখে কোভিড তহবিল প্রতারণা : ৮ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের দোষ স্বীকার রমজান শান্তির এক মহৎ দর্শনের প্রতীক


বিশ্বব্যাংক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী
‘রাজনীতির আকাশে কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৯-২০২২
‘রাজনীতির আকাশে কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে’ পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান /ফাইল ছবি


পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সামনে রাজনৈতিক সংঘাত নয়, অনিশ্চয়তা আছে। রাজনীতির আকাশে কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে। তবে আশা করি, ঝড় আসবে না। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের আলোচনার পথে আসতে হবে। সভ্যতা-ভব্যতার পথে আসতে হবে। লাঠিসোঁটা দিয়ে দ্রব্যমূল্য ও মূল্যস্ফীতি কমানো যাবে না। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বিশ্বব্যাংক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এ কথা বলেন।


ওই অনুষ্ঠানে  বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। সেখানে বলা হয়, সংস্কার না হলে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে। প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ব্যবসায় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, আর্থিক ও নগরায়ণ—এই তিন খাতে সংস্কারের পরামর্শ দেওয়া হয়। এই বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ব্যাংক খাতসহ বিভিন্ন খাতে সমস্যা আছে। নানা কারণে এই খাতগুলোয় অনেক ব্যর্থতা আছে। এসব খাতের সংস্কার করতে হবে। 

অবশ্যই আমরা ভালো সংস্কার করব জনগণ সংস্কার চায় পুরো সংস্কার না পারলেও কিছুটা করতে পারব। এই বিষয়ে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি। সংস্কারের সঙ্গে রাজনৈতিক অর্থনীতির সম্পৃক্ততা প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, জোরকদমে হাঁটতে পারব না। তবে সামনে এগিয়ে যাব। আপনারা যতটা জোরকদমে চান, ততটা জোরকদমে হয়তো হাঁটতে পারবে না। 

এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে- বিশ্বব্যাংকের মতে সংস্কার না হলে ২০৩৫ থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশে নেমে যেতে পারে। আর মোটামুটি ধরনের সংস্কার হলে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ভালো রকম সংস্কার হলে সাড়ে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। বিশ্বব্যাংক মনে করছে, সংস্কার না হলে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির গতিও কমে যাবে।


শেয়ার করুন