০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০২:৫৭:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব আমেরিকানদের গৃহস্থালি ঋণ ১৮.৮ ট্রিলিয়ন, ক্রেডিট কার্ড ১.২৬ ট্রিলিয়ন ওহাইওতে মসজিদে সাত বছরে তৃতীয় হামলা জনপ্রিয় হচ্ছে তিন বছরের কলেজ ডিগ্রি, তবে আছে বিতর্ক মুসলিম নারীকর্মীর বৈষম্যের অভিযোগে ওক পার্ক সিটির বিরুদ্ধে মামলা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি মহসিন রানা নিহত


বিশ্বব্যাংক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী
‘রাজনীতির আকাশে কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৯-২০২২
‘রাজনীতির আকাশে কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে’ পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান /ফাইল ছবি


পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সামনে রাজনৈতিক সংঘাত নয়, অনিশ্চয়তা আছে। রাজনীতির আকাশে কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে। তবে আশা করি, ঝড় আসবে না। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের আলোচনার পথে আসতে হবে। সভ্যতা-ভব্যতার পথে আসতে হবে। লাঠিসোঁটা দিয়ে দ্রব্যমূল্য ও মূল্যস্ফীতি কমানো যাবে না। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বিশ্বব্যাংক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এ কথা বলেন।


ওই অনুষ্ঠানে  বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। সেখানে বলা হয়, সংস্কার না হলে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে। প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ব্যবসায় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, আর্থিক ও নগরায়ণ—এই তিন খাতে সংস্কারের পরামর্শ দেওয়া হয়। এই বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ব্যাংক খাতসহ বিভিন্ন খাতে সমস্যা আছে। নানা কারণে এই খাতগুলোয় অনেক ব্যর্থতা আছে। এসব খাতের সংস্কার করতে হবে। 

অবশ্যই আমরা ভালো সংস্কার করব জনগণ সংস্কার চায় পুরো সংস্কার না পারলেও কিছুটা করতে পারব। এই বিষয়ে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি। সংস্কারের সঙ্গে রাজনৈতিক অর্থনীতির সম্পৃক্ততা প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, জোরকদমে হাঁটতে পারব না। তবে সামনে এগিয়ে যাব। আপনারা যতটা জোরকদমে চান, ততটা জোরকদমে হয়তো হাঁটতে পারবে না। 

এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে- বিশ্বব্যাংকের মতে সংস্কার না হলে ২০৩৫ থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশে নেমে যেতে পারে। আর মোটামুটি ধরনের সংস্কার হলে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ভালো রকম সংস্কার হলে সাড়ে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। বিশ্বব্যাংক মনে করছে, সংস্কার না হলে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির গতিও কমে যাবে।


শেয়ার করুন