২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১১:২৭:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত
বর্ণের ভিত্তিতে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির নিয়মে নিষেধাজ্ঞা জারি
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-০৭-২০২৩
বর্ণের ভিত্তিতে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির নিয়মে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ভবন


মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট একটি তাৎপর্যপূর্ণ রায় প্রদান করেছে, তারা ঘোষণা করেছে যে ‘জাতি আর বর্ণকে’ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ক্ষেত্রে একটি ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হলেও এটি ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৯৬০ সাল থেকে এই নিয়ম চলে আসছে। 

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস সেই নিয়মের অবসান ঘটিয়ে রায় প্রদানের সময় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভুলভাবে একজন ব্যক্তির জাতিগত পরিচয়ের ওপর অযথা জোর দিয়ে এসেছে। একজনের ত্বকের রঙ আবেদনকারীর মূল্যায়নের মানদ- হতে পারে না। এটি একটি স্পর্শকাতর বিষয়। বিচারপতি ক্ল্যারেন্স থমাস, এই জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গিগুলোকে অসাংবিধানিক হিসেবে বর্ণনা করেন। যদিও আদালতে নিযুক্ত প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন এবং সোনিয়া সোটোমায়রসহ ভিন্নমতের উদারপন্থী বিচারপতিরা এই রায়ের বিরোধিতা করেছিলেন। তারা যুক্তি দিয়েছিলেন যে এই সিদ্ধান্তটি এমন একটি সমাজে বর্ণান্ধতার একটি সুপারফিশিয়াল নীতিকে আবদ্ধ করেছে যা আসলে সহজাতভাবে বিচ্ছিন্ন ।

যদিও এই রায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে  নীতিগুলোকে প্রভাবিত করে, এটি লক্ষণীয় যে ৯টি মার্কিন রাজ্য ইতিমধ্যেই বর্ণভিত্তিক  ভর্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। রায়টি নিয়ে নানা মুনির নানা মত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই সিদ্ধান্তের সাথে তীব্র অসম্মতি প্রকাশ করে বলেছেন যে, আমেরিকাতে এখনো বৈষম্য বজায় রয়েছে এবং এই রায় মারফত তার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি সম্ভব নয়। শিক্ষাসচিব মিগুয়েল কার্ডোনা কলেজ ক্যাম্পাসে জাতি বৈচিত্র্য বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

যদিও আদালতের মন্তব্য, পড়ুয়াদের ভর্তির ক্ষেত্রে বিবেচ্য হওয়া উচিত তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, জাতির ভিত্তিতে সেটা হওয়া উচিত নয়। এশীয়-আমেরিকান পড়ুয়াদের ভর্তির ক্ষেত্রে বৈষম্যের মুখে পড়তে হচ্ছে। যেখানে তারাও তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী পড়ুয়াদের সমান।’ কিন্তু অনেকে মনে করছেন, এই রায়ের ফলে সংখ্যালঘু এশীয়রা কিংবা আফ্রিকান-মার্কিনিদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ ধাক্কা খেতে পারে।

শেয়ার করুন