০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ১০:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


প্রবাসে রাজনীতি দেশের ভাবমূর্তি দারুণ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে
খন্দকার সালেক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০-০৯-২০২৩
প্রবাসে রাজনীতি দেশের ভাবমূর্তি দারুণ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষ থামাতে পুলিশী পদক্ষেপ


প্রবাসে শাসক দল এবং বিরোধীদল এবং অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরস্পরবিরোধী বাংলাদেশি রাজনীতি দেশের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। বিরোধীদল এবং অঙ্গপ্রতিষ্ঠাগুলো যেমন সরকারবিরোধী সত্য মিথ্যা না প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। অন্যদিকে সরকারি দলের একাধিক সংগঠন নিজেদের বিরুদ্ধে সংঘাতপূর্ণ কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। অনেকেই দেশের দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ আমলাদের অর্থ এবং সম্পদ পাচারের মাধ্যম হয়ে কাজ করছেন। 

ইউরোপ, আমেরিকার অধিকাংশ দেশেই অন্য দেশের রাজনীতি করায় নিষেধাজ্ঞা আছে। ইতালি, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের অনেক দণ্ডপ্রাপ্ত দুর্নীতিবাজ ফেরারি জীবনযাপন করছে। সেটা কোনো দলকেন্দ্রিক নয়, সব দলেরই। এরা বিভিন্ন ইস্যুতে নিজ নিজ গোত্রে ঐক্য। এটা ভালো। কিন্তু ওই ঐক্য দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকালেও বিভিন্ন প্রোগ্রাম আয়োজন করে বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতির প্রতিফলন ঘটায়। যার কারণে প্রবাসে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে দেশের ভাবমূর্তি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু পরিষদ আছে অনেক শহরে একাধিক। তেমনি অন্য সব দলেরও আছে নানা দল। জাতীয় স্বার্থে সময় এসেছে প্রবাসে বাংলাদেশের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে আইন প্রণয়নের।

অধিকাংশ দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেই দেশের তথাকথিত বাংলাদেশি রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে দুর্নীতিমূলক মানব প্রচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নামে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সময় নানা দল বিদেশ যাচ্ছে। এই দলগুলোর সঙ্গে অর্থের বিনয়ে আদম পাচার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অথচ কিছু বিদেশি মিশন রেমিট্যান্স অর্জনকারী বাংলাদেশি শ্রমিকদের অবহেলা করে বলে অভিযোগ আছে।

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের বার্ষিক অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যাবেন। তার নাগরিক সংবর্ধনা বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধী আওয়ামী সংগঠন এখন মুখোমুখি। এমনিতেই বিরোধীদল প্রধানমন্ত্রী বিরোধী সমাবেশ, র‌্যালি করবে। সেখানে খোদ আওয়ামীপন্থীরা দ্বিধাবিভক্ত। এক দল অন্যদলকে সহ্য করতে পারছে না। 

এক দলের লোকজন অন্যদের স্বার্থান্বেষী বলতেও ছাড়ছে না। দেশের এহেন পরিস্থিতিতে খোদ সরকার দল তথা, আওয়ামী লীগের নিজেদের দলের অ্যাকটিভিস্টদের সংঘাতপূর্ণ অবস্থান নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। ফলে জাতীয় স্বার্থে পরবর্তী সরকার যেন জাতীয় সংসদে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রবাসে বাংলাদেশের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে আইন প্রণয়ন করার। আমি প্রবাসে ভারতীয়, পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান বা আফগানদের রাজনীতি করতে শুনিনি বা দেখিনি। কেন বাংলাদেশিদের করতে হবে? যদি কারো ইচ্ছা হয় দেশে ফিরে রাজনীতি করায় কোনো বাধা আছে কি?

শেয়ার করুন