১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৪:১৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান সংসদে প্রথমেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ তারাবি নামাজ চলাকালীন মসজিদ লক্ষ্য করে গুলি নিউ ইয়র্কে সামগ্রিক অপরাধ কমলেও ব্রঙ্কসে বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়কে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কেয়ারকে ফ্লোরিডা গভর্নরের সন্ত্রাসী ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের রায়


কবে গ্যাস পাবে রংপুর-দিনাজপুর?
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-১১-২০২৩
কবে গ্যাস পাবে রংপুর-দিনাজপুর? রংপুর গ্যাস প্রকল্প


বগুড়া, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনায় গ্যাস সঞ্চালন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হলেও গ্যাস বিতরণ সীমিত, কিছু এলাকায় শুরু হয়নি এখনো। প্রমাণিত গ্যাস মজুদ দ্রুত নিঃশেষ হয়ে আসছে। এমন অবস্থায় রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করে বগুড়া-রংপুর ৩০ ইঞ্চি বাসের গ্যাস সঞ্চালনলাইন করা হলো কোন ভরসায়? 

স্থলভাগে গ্যাস অনুসদ্ধান কাজ সীমিত। ২০২৫ নাগাদ উৎপাদন কমে যাবে ১০০-১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। ২০২৬-এর আগে এলএনজি সরবরাহ বাড়বে না। পেট্রোবাংলা এবং কোম্পানিগুলোর তহবিল শূন্য। এখনই এলএনজি আমদানির ডলার জোগাড়ে হিমশিম খাচ্ছে পেট্রোবাংলা। গ্যাস সরবরাহ সংকটে ভুগছে শিনাই শিল্পকারখানাগুলো। কাদের স্বার্থে কি কারণে গ্যাস সঞ্চালন অবকাঠামো সম্প্রসারণ করা হলো? অথচ ভোলায় আবিষ্কৃত গ্যাসসম্পদ অব্যবহৃত পড়ে আছে। কায়েমি স্বার্থবাদীদের স্বার্থরক্ষায় পায়রায় গভীর সমুদ্রে এলএনজি স্থাপনা করে ৬০-৭০ কিলোমিটার সাগর তলদেশের পাইপলাইন দিয়ে এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কথা থেকে আসবে এলএনজি আমদানির ডলার? কেন এখনো বিলম্বিত মাতারবাড়ীর ল্যান্ড বেসড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণকাজ? কেন আহ্বান করা হচ্ছে না গভীর সাগরে অনুসন্ধানের জন্য পিএসসি বিডিং রাউন্ড? বহুজাতিক তেল কোম্পানি এক্সন মোবিলের প্রস্তাব নিয়ে তোড়জোড় কেন থেমে গেল? 

এমনকি হাটিকুমরুল-বগুড়া ২০ ইঞ্চি বাসের সঞ্চালন পাইপলাইনের ভাটিতে কোন পরিকল্পনায় ৩০ ইঞ্চি বাসের পাইপলাইন করা হলো? সঞ্চালন অবকাঠামো নির্মাণে বিপুল বিনিয়োগ করে জিটিসিএল এখন আর্থিকভাবে পঙ্গু হওয়ার পথে। কয়েকটি পাইপলাইন এবং বেশকিছু অবকাঠামো অলস পড়ে আছে। লাভ হয়েছে কিছু ব্যবসায়ী আর কিছু দুর্নীতিপরায়ণ গ্যাস সেক্টর কর্মকর্তার। জিটিসিএল পরিচালনার জন্য বাস্তবভিত্তিক হুইলিং চার্জ প্রয়োজন। পেট্রোবাংলার পরিচালকম-লীর গ্যাস ট্রান্সমিশন বিষয়ে ধারণা সীমিত। বার্ক গ্যাস সাপ্লাই চেইন নিয়ে ধারণা না থাকায় যুক্তিহীনভাবে ট্রান্সমিশন সিস্টেম লস চাপিয়ে দিচ্ছে। সঞ্চালন ব্যবস্থায় লিকেজ ছাড়া সিস্টেম লসের কোনো অবকাশ নেই। 

অবিলম্বে বিষয়গুলোর বাস্তবভিত্তিক সমাধান না হলে অচিরেই ভেঙে পড়বে গ্যাস সাপ্লাই চেইন। বিপুল বিনিয়োগের কারণে দেউলিয়া হয়ে পড়বে পেট্রোবাংলার কোম্পানিগুলো।

শেয়ার করুন