১১ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৩:১৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ ‘দেশের গ্রেট প্লেয়ার সিমপ্যাথি ছিল,আসলে সে খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ মসজিদ নির্মাণে অনুমতি না দেওয়ায় ব্রোকেন অ্যারো সিটির বিরুদ্ধে মামলা ২৫ হাজার ডলার লুটের অভিযোগ, দুই বাংলাদেশি গ্রেফতার বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য ভিসা বন্ড স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে হাসপাতালে ১, গ্রেফতার ১ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান নিউইয়র্কে আইসের মুখোশ নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ


বাইডেনের মেমোরেন্ডামের উদ্দেশ্য সুপরিকল্পিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-১১-২০২৩
বাইডেনের মেমোরেন্ডামের উদ্দেশ্য সুপরিকল্পিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন


শ্রমিকদের সঙ্গে প্রদ্ধতিগতভাবে যুক্ত হওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে শ্রমিকদের অধিকার ও মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিতের নামে একটি সুদূরপ্রসারী আগ্রাসী-পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাইডেন প্রশাসন যে প্রেসিডেন্টশিয়াল মেমোরেন্ডাম সই করেছেন সেটির উদ্দেশ্য সুপরিকল্পিত বলে মনে করেন বাংলাদেশের একটি সংগঠনের শ্রমিক নেতারা। বাইডেনের এই মেমোরেন্ডামকে সন্দেহের চোখে দেখছে বাংলাদেশের জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন) আসল উদ্দেশ্য সুপরিকল্পিত, যা বাংলাদেশসহ দেশে দেশে তাদের আগ্রসন ও দখল নিশ্চিতে সুবিধা হয়। 

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অন্যতম শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির এই অঙ্গ সংগঠনটির কার্যকরি সভাপতি কামরূল আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক আমিন গত ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার এক বিবৃতি দেন। এতে আরো বলেছেন, মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি শ্রমিক, শ্রমিক অধিকার নীতি নিয়ে ভাল ভালো কথা বলছেন, এই শ্রমিক অধিকারের নামে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক অবরোধ দেয়ার পায়তারা। যা আসলে বাণিজ্যে বা রপ্তানিমুখী শিল্প বন্ধের কৌশল, এর ফলে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হবে আর রপ্তানিমুখী বাণিজ্য বন্ধ হলে দেশ ও দেশের শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

পুরো বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে তা পুরোটাই এখানে তুলে ধরা হলো। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন শ্রমিকদের সঙ্গে প্রদ্ধতিগতভাবে যুক্ত হওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে শ্রমিকদের অধিকার ও মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিতের নামে একটি সুদূরপ্রসারী আগ্রাসী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাইডেন প্রশাসন প্রেসিডেন্টশিয়াল মেমোরেন্ডাম সই করেছেন। এই মেমোরেন্ডাম স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আনেন। মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি শ্রমিক, শ্রমিক অধিকার নীতি নিয়ে ভাল ভালো কথা বলছেন, তাদের আসল উদ্দেশ্য সুপরিকল্পিত, যা বাংলাদেশসহ দেশে দেশে তাদের আগ্রসন ও দখল নিশ্চিতে সুবিধা হয়। এই শ্রমিক অধিকারের নামে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক অবরোধ দেয়ার পায়তারা। যা আসলে বাণিজ্যে বা রপ্তানিমুখী শিল্প বন্ধের কৌশল, এর ফলে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হবে আর রপ্তনিমুখী বাণিজ্য বন্ধ হলে দেশ ও দেশের শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা স্বাধীন সার্বভৌম দেশ আমাদের শ্রম আইন ও আইএলও কনভেনশনের মধ্য দিয়ে শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব না হলে নতুন আইন করা যেতে পারে, তাই বলে মার্কিন সবক গ্রহণযোগ্য নয়। আসলে যুক্তরাষ্ট্র নিজের দেশের আগ্রাসন ও মোড়লীপানা পাকাপোক্ত করতে এই প্রেসিডেন্টশিয়াল মেমোরেন্ডামের নামে প্রচ্ছন্ন হুমকি যার মূল উদেশ্যে হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে যুক্ত করার অর্থনৈতিক চাপ। বাংলাদেশের শ্রমিকদের মার্কিনীদের এহেন অসৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন থাকার আহবান জানিয়েছেন জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরি সভাপতি কামরুল আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক আমিন।

শেয়ার করুন