০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০২:৫২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


যুক্তরাষ্ট্র আ’ লীগের সভায় শূকরের বাচ্চা ও বান্দির পোয়া বলে গালাগালি
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৭-০৩-২০২৪
যুক্তরাষ্ট্র আ’ লীগের সভায় শূকরের বাচ্চা ও বান্দির পোয়া বলে গালাগালি


গত ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ২৫ মার্চ কালো রাত এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং পরিচালনা করছিলেন যৌথভাবে সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ ও প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম দুলাল মিয়া। মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ, ডা. মাসুদুল হাসান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা সোলায়মান আলী, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল এবং নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান মিয়া।

অনুষ্ঠানে সবকিছুই ঠিকঠাক মত চলছিলো। এক পর্যায়ে হাজী এনাম বক্তব্য দেয়ার জন্য নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান মিয়াকে ডাকেন। এই সময় অডিয়েন্সে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি দরুদ মিয়া রনেল। দরুদ মিয়া রনেল দাঁড়িয়ে মঞ্চে বসা সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আপনি সাধারণ সম্পাদক। আপনি অনুষ্ঠান পরিচালনা করার কথা কিন্তু আপনি অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন না। যে কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এই সময় হাজি এনাম দরুদ মিয়া রনেলের উদ্দেশ্যে বলেন, কথা কম, শ্যাট আপ, সিট ডাউন। এই নিয়ে দুই জনের মধ্যে শুরু হয় কথা কাটাকাটি, অশ্রাব্য গালিগালাজ এবং ধাক্কাধাক্কি। একজন আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, শুকরের বাচ্চা, কুত্তার বাচ্চা, বান্দির পোয়া। সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের উপস্থিতিতেই এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। তাদের ধাক্কাধাক্কিতে নবান্ন পার্টি হলের ফোডিয়াম ভেঙ্গে যায়। এক পর্যায়ে সবাই মিলে পরিস্থিতি শান্ত করেন। আবারো সভা চলতে থাকে। অনুষ্ঠানস্থল থেকে হাজী এনাম চলে গেলে দরুদ মিয়া রনেলকে বক্তব্য দিতে ডাকা হয় এবং সভা শেষ হয়।

নবান্ন রেস্টুরেন্টের একজন জানান, তাদের ফোডিয়ামটি ছিলো প্রায় ১৮ শত ডলারের। তাদের মাত্র ২ শত ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়। এই অকথ্য ভাষার গালিগালি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল এবং টক অব দ্যা কম্যুনিটিতে পরিণত হয়েছে।

শেয়ার করুন