২২ জুলাই ২০১২, সোমবার, ০৭:১৭:১৯ অপরাহ্ন


জ্যাকসন হাইটসে মুনার খাদ্য বিতরণ
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৯-০৬-২০২৪
জ্যাকসন হাইটসে মুনার খাদ্য বিতরণ মুনার খাদ্য বিতরণ


মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা মুনা সোশ্যাল সার্ভিস বিভাগ নিয়মিত খাবার বিতরণ কর্মসূচি পালন করছে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকার নির্র্ধারিত ২০টি স্থান ছাড়াও বাফেলো, কানেকটিকাট, ফিলাডেলফিয়া ও দেলোয়ার স্টেটের বিভিন্ন স্থানে খাবার বিতরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি। উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক সিটি এবং স্টেটের সহযোগিতায় অরাজনৈতিক ও অলাভজনক এই সংগঠনটি করোনা মহামারির সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের দোরগোড়ায় খাবার পৌঁছে দেওয়া শুরু করে। 

অব্যাহত এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ১১ জুন জ্যাকসন হাইটসে মুনা সেন্টারে সর্বস্তরের মানুষে মাঝে খাদ্য বিতরণ করে মুনা সোশ্যাল সার্ভিস বিভাগ। খাদ্য বিতরণের আগে সংক্ষিপ্ত সভার আয়োজন করা হয় সেন্টার মিলনায়তনে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মুনার সাবেক ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন। পরিচালনা করেন সেন্টারের সভাপতি মমিনুল ইসলাম মজুমদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক কায়কোবাদ কবির, অর্থ সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমেদ ও ট্রাস্টিবোর্ড মেম্বার ফখরুল ইসলাম মাছুমসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমাম দেলোয়ার হোসাইন বলেন, মুনার সোশ্যাল সার্ভিস বিভাগের উদ্যোগে সিটি প্রশাসনের সহযোগিতায় চলমান ফুড ড্রাইভ সার্ভিসের অংশ হিসেবে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশেষ এ খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এটা আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করতে চাই। তিনি বলেন, মুনা মুসলমানদের প্রাত্যহিক সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ড এবং জাতীয় নাগরিক জীবনে ভূমিকা পালনের নিমিত্তে সংগঠিত করতে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে করে এসব ব্যক্তি আল্লাহ এবং তার রাসুল হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণের মাধ্যমে মানবতার সেবা করে যেতে পারে।

আল কোরআন পথনির্দেশ করে গোটা মানবজাতিকে। কল্যাণকর ও নির্ভুল পথ পরিদর্শন করে পথভ্রান্ত দিকহারা মানবতাকে। ব্যক্তিজীবন থেকে রাষ্ট্রীয় জীবন, মানব দেহের অভ্যন্তরে লুকায়িত অন্তর বিন্দু থেকে সৃষ্টি লোকের বিশাল বিস্তৃত মানব সম্পর্কিত প্রতিটি স্তরে বিশ্ববাসীর কল্যাণে এক নির্ভুল গাইড হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে এই মহাগ্রন্থ। আলোচনা শেষে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশিসহ অন্যান্য জাতির মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে খাদ্য সংগ্রহ করেন।

শেয়ার করুন