২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ৬:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


মারামারি : একজন হাসপাতালে
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৭-০৮-২০২৪
মারামারি : একজন হাসপাতালে বিএনপির-আাওয়ামী লীগের উত্তেজিত নেতাকর্মীরা


বাংলাদেশের চলমান রাজনীতির কারণে প্রবাসে বিএনপি, বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের লাগাতার বিক্ষোভ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে। কেউ প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছেন শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করে। আবার কেউ দাবি করেছেন শেখ হাসিনার সরকার আরো দরকার। তবে আন্দোলনের তীর্থস্থান ছিল জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজা এবং ৭৩ স্ট্রিটের নবান্ন রেস্টুরেন্টের সামনে। গত ৪ আগস্ট বিকাল থেকে সাধারণ ছাত্রছাত্রী এবং বিএনপির বিক্ষোভ করছিল। অন্যদিকে রাত ৯টার দিকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ নবান্ন রেস্টুরেন্টের সামনে উপস্থিত হয়। এ সময় বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা মিছিল নিয়ে ৭৩ স্ট্রিট অতিক্রম করার সময় অবকাশ স্টোরের সামনে থেকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কয়েকজন পাতি নেতা ভুয়া ভুয়া বলে স্লোগান দিয়ে মিছিলে থাকা কয়েকজন আওয়ামী লীগের পাতি নেতাদের ওপর হামলা চালায়। মিথুন আহমেদসহ কয়েকজন সাহায্যে এগিয়ে আসেন। এরই মধ্যে হাসান নামের আওয়ামী লীগের একজন কর্মী আহত হন। আরো দুইজনের ওপর হামলা চালানো হয়। হাসানকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই খবর মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। কে বা কারা পুলিশ কল করলে পুলিশ এসে রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। দুই পক্ষ রাস্তার দুই পাশে থেকে স্লোগান পাল্টা স্লোগান দিতে থাকে। এভাবে চলে আধঘণ্টার মতো। এরই মধ্যে পুরো এলাকা পুলিশ ঘিরে ফেলে এবং তাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে পর্যাপ্ত পুলিশ উপস্থিত হলে দুই গ্রুপকে তাড়িয়ে দেয়।

শেয়ার করুন