১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০১:০০:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ ‘দেশের গ্রেট প্লেয়ার সিমপ্যাথি ছিল,আসলে সে খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ মসজিদ নির্মাণে অনুমতি না দেওয়ায় ব্রোকেন অ্যারো সিটির বিরুদ্ধে মামলা ২৫ হাজার ডলার লুটের অভিযোগ, দুই বাংলাদেশি গ্রেফতার বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য ভিসা বন্ড স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে হাসপাতালে ১, গ্রেফতার ১ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান নিউইয়র্কে আইসের মুখোশ নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ


খুতবার কারণে মুসলিম নার্সকে বরখাস্ত : আদালতে মামলা
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০৬-২০২৫
খুতবার কারণে মুসলিম নার্সকে বরখাস্ত : আদালতে মামলা


প্যালেস্টাইন সংক্রান্ত একটি খুতবা দেওয়ার কারণে হ্যাকেনস্যাক মেরিডিয়ান হেলথের এক মুসলিম নার্সকে অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ক্লিফটনের বাসিন্দা খালিল আদেম, যিনি পেশায় একজন নার্স এবং পাশাপাশি খণ্ডকালীন ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তিনি জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে ফ্ল্যান্ডার্সের একটি মসজিদে প্যালেস্টাইন-সংক্রান্ত একটি খুতবা দেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

চাকরিচ্যুত নার্স খালিল আদেম তার সাবেক নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে ২৮ মে নিউজার্সির একটি আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেখানে তিনি ‘কর্মচারী বৈষম্যর’ অভিযোগ তুলেছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করে আদেম তাদের ‘বৈষম্য, হয়রানি ও সোশ্যাল মিডিয়া আচরণবিধি’ লঙ্ঘন করেছেন এবং তারা রোগীদের জন্য সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা থেকে তাকে বরখাস্ত করেছে, যার পেছনে কোনো বাস্তবিক ভিত্তি ছিল না।

খালিল আদেম মূলত সৌদি আরব থেকে আগত এবং ১৯৯০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসিত হন। ২০১৩ সাল থেকে তিনি হ্যাকেনস্যাক মেরিডিয়ান হেলথে কর্মরত ছিলেন এবং ২০২১ সালে পদোন্নতিও পান। মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আদেম ছিলেন একজন ‘পরিশ্রমী, সমস্যা সমাধানে দক্ষ এবং রোগী ও সহকর্মীদের প্রতি সদয়’ ব্যক্তি, যিনি তার কর্মজীবনে সব সময় চমৎকার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন পেয়েছেন।

আলোচ্য খুতবাটি ব্যাপকভাবে মিডিয়ার নজর কাড়ে এবং কিছু ইসলামবিদ্বেষী গোষ্ঠীর সমালোচনার মুখে পড়ে। এক পর্যায়ে মাউন্ট অলিভ পুলিশ ডিপার্টমেন্টে একটি অভিযোগও দায়ের হয়। পরে খালিল জানতে পারেন, কেউ কেউ তার বক্তব্যকে ‘ঘৃণামূলক বক্তৃতা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো চার্জ দায়ের হয়নি এবং মাউন্ট অলিভ পুলিশের একজন ক্যাপ্টেন তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

খালিল আদেমের এই মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রে কর্মক্ষেত্রে মুসলিমদের প্রতি বৈষম্য এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, আদালত এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত দেয় এবং এ ঘটনা ভবিষ্যতের জন্য কী বার্তা বহন করে।

শেয়ার করুন