০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৮:১১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওয়ারেন্ট ছাড়া বাড়িতে প্রবেশের গোপন নীতি আইসের উবার ও লিফট চালকদের অধিকার রক্ষায় ডিঅ্যাকটিভেশন বিল পাস ৩ লাখ অভিবাসী শিশুর খোঁজে ফেডারেল অভিযান, ১.৪৫ লাখ শনাক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা গুলিতে আহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক, পুলিশের বক্তব্যে পরিবারের আপত্তি ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরে আইসকে বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি আইস সাতটি নতুন অভিবাসী আটক কেন্দ্র চালুর কথা ভাবছে সুপ্রিম কোর্টের রায় নির্ধারণ করবে ২ হাজার ডলারের স্টিমুলাস চেকের ভাগ্য ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান


চলাফেরায় সাবধান, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি
কমিউনিটিতে ডাকাতি, হামলা ও ছিনতাই বাড়ছে
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-০৫-২০২৪
কমিউনিটিতে ডাকাতি, হামলা ও ছিনতাই বাড়ছে মাটিতে পড়ে রয়েছেন আহত বাংলাদেশি


হঠাৎ করেই যেন নিউইয়র্কে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটেছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো স্থানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা হামলার শিকার হচ্ছে। আবারে কোনো কোনো এলাকায় বাংলাদেশি স্টোরগুলোতে ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। গত কয়েক মাসেই প্রায় এক ডজন বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে দুইজন বাংলাদেশি। একজন নিউইয়র্কে অন্যজন মিশিগানে। অন্যান্য নিহত হয়েছেন দুর্বৃত্তের হামলায়। এছাড়াও গত সপ্তাহেই নিউইয়র্কের ওজনপার্কে একটি কাপড়ে দোকানে এবং ব্রঙ্কসে কনভেনিয়ন্স স্টোরে বাংলাদেশি দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। আর প্রবাসী বাংলাদেশিদের ওপর বিভিন্ন স্থানে হামলা এবং ছিনতাইয়ের ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে। এমনকি নিউইয়র্ক সিটির সাবওয়েও এখন নিরাপদ নয়। সম্প্রতি দুই জন বাংলাদেশি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে একজন হচ্ছে উইর রোজারিও। অন্যজস হচ্ছে মিশিগানে হোসেন আলী রাজু। দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত হয়েছেন আবু সালেহ মোহাম্মদ ইউছুপ, বাবুল মিয়া, জাকির হোসেন খসরু। এছাড়াও অন্য স্টেটেও বাংলাদেশিদের ওপর হামলা করা হচ্ছে।

অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করে বলেছেন, আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। অনেকের হাতে টাকা-পয়সা নেই। যে কারণে বাংলাদেশিদের টার্গেট করা হয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশ রিফর্ম এবং বেল রিফর্মও এর জন্য দায়ী। বেল রিফর্ম এবং পুলিশ রিফর্মের কারণে পুলিশের জীবনও হুমকির মুখে পড়েছে। পুলিশের পোশাকে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্যামেরা। যে ক্যামেরায় পুলিশের কর্মকা- ধরা পড়ে যায়। তাছাড়া বেল রিফর্মের কারণে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করলেও সঙ্গে সঙ্গে তার জামিন হয়ে যাচ্ছে। সহজে জামিন পাওয়ার কারণে অপরাধী আবারও অপরাধ শুরু করেন। অন্যদিকে বাংলাদেশি কমিউনিটিও তেমনটা সোচ্চার নয়। দিনদুপুরে একজন বাংলাদেশিকে হত্যা করার পরও তাদের প্রতিবাদ বিক্ষোভ করতে দেখা যায় না। তারা সবাইকে যেন নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যামাইকা এলাকায় বাংলাদেশি খসরু নিহত হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই গত সপ্তাতে আরেক বাংলাদেশির ওপর হামলা হয়েছে। তার গাড়িটি ছিনতাই করার চেষ্টা করা হয়। তিনি বাধা দিলে তার ওপর হামলা করা হয়। জ্যামাইকায় যাকে আহত করা হয় তার নাম খোরশেদ আলম রিঙ্কু। তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটির অত্যন্ত পরিচিত মুখে। তিনি খ-কালীন ফটোসাংবাদিকতার কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে রয়েছেন।

এই অবস্থায় অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করে বলেছেন, চলাফেরায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

শেয়ার করুন