২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬:৩২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


লাখ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের তথ্য ‘ফাঁস’
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-০৭-২০২৩
লাখ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের তথ্য ‘ফাঁস’


বাংলাদেশের লাখ লাখ নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা খতিয়ে দেখছে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের প্রকল্প বিজিডি ই-গভ সার্ট। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি যাতে না ঘটে সেজন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চ বাংলাদেশের লাখ লাখ নাগরিকের নাম, ফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা এবং জাতীয় পরিচিতি নম্বরসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার খবর প্রকাশ করেছে। গত ৭ জুলাই প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে এবারের তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে সরকারি একটি সংস্থার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। তবে কোন ওয়েবসাইট, তা নিরাপত্তার জন্য প্রকাশ করেনি তারা।

বিষয়টি নিয়ে ৮ জুলাই দিনভর আলোচনা হয়। রাতে বিজিডি ই-গভ সার্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের লাখ লাখ নাগরিকের তথ্য ফাঁসের খবর নজরে আসার পর এ বিষয়ে কাজ শুরু করে সার্ট টিম। পুরো বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই তথ্য ফাঁসের ব্যাপকতা এবং এর প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়ে ব্যাপকমাত্রায় কাজ করা হয়।

পরিস্থিতি ঠিক করা, প্রয়োজনীয় সাইবার নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের প্রতি একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছে সার্ট। তারা বলেছে, ক্রমবর্ধমান সাইবার হুমকি মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ সেবাসমূহ যেমন ডিএনএস, এনটিপি ও নেটওয়ার্ক মিডলবক্সগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি এসব ইন্টারনেটে উন্মুক্ত নেই- তা নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া সব গ্রাহক, ভোক্তা এবং কর্মীদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা, তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এটা করতে হবে যাতে কোনো অসংগতি বা সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে তা সংশ্লিষ্টদের জানাতে পারে। সার্বক্ষণিক নেটওয়ার্ক এবং ব্যবহারকারীদের কার্যকলাপ তদারক করতে হবে। নিয়মিত সিস্টেমের দুর্বলতা পর্যালোচনা এবং অনুপ্রবেশ পরীক্ষা (ভিএপিটি) পরিচালনা করতে হবে।

সার্ট বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার (সিআইআই), বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সুশীল সমাজের সঙ্গে মিলে কাজ করে থাকে।

শেয়ার করুন