২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ০৬:৩৬:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


হঠাৎ কেন এ ফোন, কুটনৈতিক মহলে আলোচনা
যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন ড. ইউনূসকে
দেশ অনলাইন
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-১২-২০২৪
যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন ড. ইউনূসকে



যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান ফোন করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে। ফোনালাপে তারা ধর্ম নির্বিশেষে সব মানুষের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান আজকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেছেন। একটি চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুলিভান।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ধর্ম নির্বিশেষে সব মানুষের মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও তা সুরক্ষার ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন উভয় নেতা। একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন জ্যাক সুলিভান। বাংলাদেশ যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, সেগুলো মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থনের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।’

এদিকে কুটনৈতিক মহলে, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হঠাৎ ফোন করা প্রসঙ্গে আলোচনা অব্যহত। কারন দক্ষিনপূর্ব এশিয়ায় রাজনৈতিক নানা সমীকরন বিদ্যমান। বিশেষ করে মায়ানমার ইস্যু এখন বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। মায়ানমারের জান্তার বিরুদ্ধে আরকান আরমির যে লড়াই, তাতে ফ্রন্টফুটে আরাকানিরা। একের পর এক মায়ানমার জান্তাকে পেছনে সরিয়ে নিজেদের কতৃত্ব স্থাপন চালিয়ে যাচ্ছে আরকানিরা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বিশাল এক সীমান্ত জুড়ে মায়ানমারের অবস্থান। ওপারে মানায়ানমারে অভ্যন্তরীন সশস্ত্র লড়াইয়ে বাংলাদেশ সদা সতর্ক।

ফলে এ অঞ্চলে বাংলাদেশেরও যথেস্ট গুরুত্ব বিদ্যমান।

শেয়ার করুন