২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ০৯:৩৬:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


আগামী বছরের ৮ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি ভোট : ইসি
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-১২-২০২৫
আগামী বছরের ৮ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি ভোট : ইসি ভোটের বাক্স


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য দিনক্ষণের কথা জানালেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, আগামী বছরের ৮ থেকে ১০ই ফেব্রুয়ারি যেকোনো দিন অনুষ্ঠিত হবে ভোট। একই সঙ্গে ৮ থেকে ১১ই ডিসেম্বর যেকোনো একদিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এ নিয়ে আগামী ৭ই ডিসেম্বর কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানিয়েছেন এই নির্বাচন কমিশনার। 

ইসি আনোয়ারুল বলেন, ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখ রোববার এবং ১২ তারিখ বৃহস্পতিবার। সে হিসেবে মঙ্গলবারের (১০ই ফেব্রুয়ারি) দিকে সংসদ নির্বাচন হতে পারে। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হবে এ প্রশ্নের জবাবে ইসি আনোয়ারুল বলেন, ফেব্রুয়ারির সেকেন্ড উইক। ৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও অসুবিধা নেই। এক্ষেত্রে ৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে এক-দু’দিন পরে কিংবা ১২ই ফেব্রুয়ারি থেকে এক-দু’দিন আগেও হতে পারে। অর্থাৎ মাঝামাঝি কোনো সময় হতে পারে।

এদিকে, তফসিল ঘোষণা ও ভোটের তারিখ নিয়ে আগামী রোববার (৭ই ডিসেম্বর) কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই সব তারিখ নির্ধারণ করা হবে। এক্ষেত্রে দু’-তিনদিন সময় রেখে বা বৃহস্পতিবারের (১১ই ডিসেম্বর) দিকে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

অন্যদিকে ভোটগ্রহণের সময়ও বাড়ানোর কথা ভাবছে ইসি। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, যেহেতু গণভোট ও সংসদ নির্বাচন একদিনে হবে, তাই গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। আবার ভোটের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে ৯ ঘণ্টা করা হতে পারে। এ জন্য সকাল-বিকালে দু’দিকেই সময় বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। এখন সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরু হয়, সেটা সাড়ে ৭টা হতে পারে। আবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট হয়, সেটা সাড়ে ৪টা করার কথা ভাবা হচ্ছে।

সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখেই শুরু থেকে সব প্রস্তুতি নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে সরকার থেকে গণভোটের ঘোষণা আসায় অতিরিক্ত ব্যালট পেপার, অতিরিক্ত গোপন কক্ষ (ভোট দানের কক্ষ), বাজেট বৃদ্ধিসহ বেশ কিছু অতিরিক্ত প্রস্তুতি নিতে হয়েছে ভোট আয়োজনকারী সাংবিধানিক এ সংস্থাটিকে। ইতিমধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আইন-বিধি সংশোধন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, পর্যবেক্ষক নিবন্ধন, অধিকাংশ ছাপার কাজ শেষ করছে। অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপও শেষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের সব বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক শেষ করেছে। এখন বাজেট নিয়ে আলোচনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শেয়ার করুন