০৩ জুন ২০২৬, বুধবার, ০৭:১৮:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের নিউ জার্সির আইস ডিটেনশন সেন্টারে অমানবিক আচরণের অভিযোগ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী


তারেকের নির্বাচনী প্রচারণায় ‘বনকাগজ’
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৮-০১-২০২৬
তারেকের নির্বাচনী প্রচারণায় ‘বনকাগজ’ তারেক রহমানের পোস্টার


দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে অনেক কিছুতেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সিলেট হজরত শাহজালার মাজার থেকে শুরু হয় তার নির্বাচনি প্রচারণা। কিন্তু তার কোনো সমাবেশই গতানুগতিক সেই সমাবেশের মত নয়। তার প্রতিটা নির্বাচনি জনসভার মঞ্চকে তিনি অনেকটা আলোচনা, কথোপকথন, অভিজ্ঞতা শেয়ার, ওই এলাকার সিংহভাগ মানুষের চাহিদা ও সেটা কিভাবে পূরণ হবে, মঞ্চে ডেকে এনে তাদের বক্তব্য শ্রবন করা সহ বেশ ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারাভিযান শুরু করে দিয়েছেন। মানুষ বিস্মিত হয়ে তারেকের মুভমেন্ট দেখছেন, মুগ্ধ হচ্ছেন। 

তার প্রচারে যুক্ত হচ্ছে আরো এক নতুন ধারা। বগুড়া-৬ (বগুড়া সদর) আসনে ধানের শীষের পক্ষে তারেক রহমানের ভোটের প্রচারণায় ব্যবহৃত হয়েছে একেবারেই ব্যতিক্রমী ও পরিবেশবান্ধব নির্বাচনী লিফলেট। এই লিফলেটটি তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ধরনের কাগজে, যা পরিচিত “বনকাগজ” নামে। এই বনকাগজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এটি পরিবেশ দূষণ করে না। বরং লিফলেটটি যেখানেই পড়ুক বা কেউ ফেলুক না কেন, সেই মাটি থেকেই জন্ম নিতে পারে একটি সবজি গাছ। যেমন টমেটো, মরিচ বা বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি।

ভোটের প্রচারণার সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়নের এমন সংযোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি নির্বাচনী লিফলেট নয়, বরং একটি সচেতন ও ভবিষ্যতমুখী উদ্যোগ। নিঃসন্দেহে এটি ভোট প্রচারের ক্ষেত্রে একটি সম্পূর্ণ নতুন, সৃজনশীল ও অনন্য ধারণা। এটা ঠিক, যে নির্বাচনি হ্যান্ডবিল মানুষের হাতে তুলে দেয়া হয়, সেটা ওই মানুষ এক নজর দেখে ফেলে দেবেই। কেউ ওটা নিয়ে ঘরে বাধাই করে রাখবেন না। ফলে বনে জঙ্গলে, রাস্তাঘাটের আশপাশে, অনেকস্থানেই ওটা ফেলে দেবেন মানুষ এটাই রীতি। 

তাহলে ওই কাগজটি ফেলে দেয়ার পর মুল্যহীন। তারেক রহমানের চিন্তা ওখান থেকেই শুরু। কাগজটা তো আর দশটি কাগজ নয়। কিছুটা গুটি গুটি টাইফের। যা থেকে উৎপাদন হবে কোনো না কোনো সবজি। যা থেকে উৎপন্ন সবজি কেউ না কেউ পাক করে খেতে পারবেন। ফলে ওই নির্বাচনি ব্যালটটি এখন আর ফেলনা কিছু না। এটাই তার আরেকটি নতুন চিন্তা, প্লান। 

এভাবে আগামী স্থানীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে সর্বত্র যদি পোস্টারে এ ধরনের বনকাগজ ব্যবহার করা হয় সেটা দেশের সবুজায়ন করার কাজও কিছুটা হলে হতে পারে।

শেয়ার করুন