২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৬:০৪:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার দ্রুত গণনির্বাসনে নতুন বিধি জারি নিউইয়র্ক সিটির আর্থিক সংকট মোকাবিলায় দেড় বিলিয়ন ডলার সহায়তা ঘোষণা ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষের স্বাস্থ্যবীমা ঝুঁকির মুখে কোভিড তহবিল প্রতারণা : ৮ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের দোষ স্বীকার রমজান শান্তির এক মহৎ দর্শনের প্রতীক


তারেকের নির্বাচনী প্রচারণায় ‘বনকাগজ’
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৮-০১-২০২৬
তারেকের নির্বাচনী প্রচারণায় ‘বনকাগজ’ তারেক রহমানের পোস্টার


দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে অনেক কিছুতেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সিলেট হজরত শাহজালার মাজার থেকে শুরু হয় তার নির্বাচনি প্রচারণা। কিন্তু তার কোনো সমাবেশই গতানুগতিক সেই সমাবেশের মত নয়। তার প্রতিটা নির্বাচনি জনসভার মঞ্চকে তিনি অনেকটা আলোচনা, কথোপকথন, অভিজ্ঞতা শেয়ার, ওই এলাকার সিংহভাগ মানুষের চাহিদা ও সেটা কিভাবে পূরণ হবে, মঞ্চে ডেকে এনে তাদের বক্তব্য শ্রবন করা সহ বেশ ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারাভিযান শুরু করে দিয়েছেন। মানুষ বিস্মিত হয়ে তারেকের মুভমেন্ট দেখছেন, মুগ্ধ হচ্ছেন। 

তার প্রচারে যুক্ত হচ্ছে আরো এক নতুন ধারা। বগুড়া-৬ (বগুড়া সদর) আসনে ধানের শীষের পক্ষে তারেক রহমানের ভোটের প্রচারণায় ব্যবহৃত হয়েছে একেবারেই ব্যতিক্রমী ও পরিবেশবান্ধব নির্বাচনী লিফলেট। এই লিফলেটটি তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ধরনের কাগজে, যা পরিচিত “বনকাগজ” নামে। এই বনকাগজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এটি পরিবেশ দূষণ করে না। বরং লিফলেটটি যেখানেই পড়ুক বা কেউ ফেলুক না কেন, সেই মাটি থেকেই জন্ম নিতে পারে একটি সবজি গাছ। যেমন টমেটো, মরিচ বা বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি।

ভোটের প্রচারণার সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়নের এমন সংযোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি নির্বাচনী লিফলেট নয়, বরং একটি সচেতন ও ভবিষ্যতমুখী উদ্যোগ। নিঃসন্দেহে এটি ভোট প্রচারের ক্ষেত্রে একটি সম্পূর্ণ নতুন, সৃজনশীল ও অনন্য ধারণা। এটা ঠিক, যে নির্বাচনি হ্যান্ডবিল মানুষের হাতে তুলে দেয়া হয়, সেটা ওই মানুষ এক নজর দেখে ফেলে দেবেই। কেউ ওটা নিয়ে ঘরে বাধাই করে রাখবেন না। ফলে বনে জঙ্গলে, রাস্তাঘাটের আশপাশে, অনেকস্থানেই ওটা ফেলে দেবেন মানুষ এটাই রীতি। 

তাহলে ওই কাগজটি ফেলে দেয়ার পর মুল্যহীন। তারেক রহমানের চিন্তা ওখান থেকেই শুরু। কাগজটা তো আর দশটি কাগজ নয়। কিছুটা গুটি গুটি টাইফের। যা থেকে উৎপাদন হবে কোনো না কোনো সবজি। যা থেকে উৎপন্ন সবজি কেউ না কেউ পাক করে খেতে পারবেন। ফলে ওই নির্বাচনি ব্যালটটি এখন আর ফেলনা কিছু না। এটাই তার আরেকটি নতুন চিন্তা, প্লান। 

এভাবে আগামী স্থানীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে সর্বত্র যদি পোস্টারে এ ধরনের বনকাগজ ব্যবহার করা হয় সেটা দেশের সবুজায়ন করার কাজও কিছুটা হলে হতে পারে।

শেয়ার করুন