০৩ জুন ২০২৬, বুধবার, ০৬:৩৪:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের নিউ জার্সির আইস ডিটেনশন সেন্টারে অমানবিক আচরণের অভিযোগ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী


চাচাকে বাংলাদেশে গুলি করে হত্যার দায়ে ভাতিজা রোজারিওর ১৫ বছরের কারাদণ্ড
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৩-০৫-২০২৬
চাচাকে বাংলাদেশে গুলি করে হত্যার দায়ে ভাতিজা রোজারিওর ১৫ বছরের কারাদণ্ড চাচা মাইকেল রোজারিও


বাংলাদেশে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ২০২১ সালে মার্কিন নাগরিক মাইকেল রোজারিওকে হত্যার দায়ে তারই ভাতিজা গ্যানেট রোজারিওকে (৫৩) ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। গত ৭ মে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালত ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দ্য সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউ ইয়র্ক (এসডিএনওয়াই) এ রায় ঘোষণা করে। তিনি এর আগে আদালতে বিদেশে মার্কিন নাগরিক হত্যার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছিলেন। আদালতের নথি ও শুনানিতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১১ জুন বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জে পারিবারিক বাড়িতে অবস্থানকালে গ্যানেট রোজারিও তার চাচা মাইকেল রোজারিওকে শটগান দিয়ে গুলি করে হত্যা করেন। ঘটনাটি দীর্ঘদিন ধরে চলা পারিবারিক সম্পত্তি বিরোধের জেরে ঘটে। 

ঘটনার দিন সন্ধ্যায় গ্যানেট বাড়ির বাইরে সিগারেট খাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি তার চাচার ঘরের জানালার পাশ থেকে কিছু অপমানজনক কথা শুনতে পান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ঘরে ফিরে একটি শটগান নিয়ে আবার বাইরে যান এবং জানালার শাটারের ভেতর দিয়ে এক রাউন্ড গুলি ছোড়েন। গুলি সরাসরি মাইকেল রোজারিওর পেট ও ডান পাশের অংশে লাগে এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 

গ্যানেট রোজারিও ২০২৩ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন এবং পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের এপ্রিলে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। নিহত মাইকেল রোজারিও ব্রঙ্কসে বসবাস করতেন। আদালতের নথি অনুসারে, তিনি ও গ্যানেট রোজারিও-উভয়েই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। 

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস জানায়, মামলাটি তদন্ত করে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউ ইয়র্ক ফিল্ড অফিস। এছাড়া নিউ ইয়র্কের ইউএস অ্যাটর্নিস অফিস ফর দ্য সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউ ইয়র্ক মামলাটির প্রসিকিউশন পরিচালনা করে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারও তদন্তে সহায়তা করেছে। 

যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিকোল এম আর্জেন্টিয়েরি বলেন, একজন মার্কিন নাগরিক বিদেশে আরেকজন মার্কিন নাগরিককে হত্যা করলে তাকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। তিনি আরো বলেন, অপরাধ যেখানেই ঘটুক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার তার নাগরিকদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সহিংস অপরাধের বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। 

শেয়ার করুন