এবারের উমরাহ সফরের অভিজ্ঞতা
সালেক সুফী
-
আপডেট করা হয়েছে : ১৩-০৭-২০২৬
ছেলে ,পুত্রবধূ ,নাতি নাতনিদের নিয়ে ২৩ জুন থেকে ৫ জুলাই সৌদি আরবে উমরাহ আর মহানবীর রওজা মুবারক জিয়ারতে উপভোগ্য সময় কাটিয়েছি। ইবাদাতের পরিবেশ ছিল অসাধারণ। যাত্রাপথে ব্রিসবেন, ম্যানিলা ,জেদ্দা ,আবুধাবি ,সিডনী বিমান বন্দর এবং ফিলিপিন্স এয়ারলাইন্স ,সৌদি এয়ারওয়েজ ,ইতিহাদ এবং জেট ষ্টার ভ্রমণের সুযোগ হয়েছে। বিমান সংস্থা হিসাবে সৌদি এয়ারওয়েজ এবং ইতিহাদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া বা ফিলিপিন্স এয়ারলাইন্স তুলনা হতে পারে নি. জেদ্দা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর আধুনিকতা অথবা অবকাঠামোর দিক দিয়ে সম্ভবত বিশ্বসেরা।
খুব একটা পিছিয়ে নেই আবু ধাবি বিমান বন্দর। অন্নান্য দেশের কথা বাদ রাখি অস্ট্রেলিয়ার বিমান বন্দরগুলো তুলনামূলক ভাবে যোজন যোজন পিছিয়ে। আর বিমান সেবার কথা যদি বলেন সৌদিয়া এবং ইতিহাদকে আমার অনেক উন্নত মনে হয়েছে। আমি এমিরেটস ,কাতার এয়ারওয়েজ ,সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস ,থাই এয়ারওয়েজ , মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স কেএলএম , ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ,চায়না সাউথেরন, কোয়ান্টাস , ক্যাথে প্যাসিফিক ,বাংলাদেশ বিমানে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আছে. ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স ভ্রমণ করেছি। ওয়াশিংটন ডিসি , টরোন্ট ,ক্যালগারি ,মিনিয়াপোলিস, দোহা ,দুবাই, দিল্লি ,কলকাতা ,নারিতা ,ইয়াঙ্গুন ,কলম্বো ,সিঙ্গাপুর ,ব্যাংকক ,মাস্কাট , মানামা ,কুয়ালালামপুর ,ম্যানিলা ,হংকং, মস্কো ,কাবুল ,মাজারে শেরিফ , বালি, তানজানিয়া, গুয়ানজু বিমানবন্দর দেখেছি। আমার কাছে জেদ্দাহ , আবু ধাবি এবং দোহা বিমান বন্দর গুলোকে বিশ্বসেরার তালিকায় রাখতে হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এগুলো সিঙ্গাপুর , দুবাইকেও ছাড়িয়ে গেছে।
বাংলাদেশকে আধুনিক বিমান বন্দর করতে হলে আবু ধাবি বা দোহা বিমান বন্দরকে মডেল হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। বিমান সেবা এবং বিমান বন্দর ব্যাবস্থাপনায় পেশাদারিত্ব অপরিহার্য। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের সুযোগ আছে দুনিয়ার অন্যতম সেরা বিমান যোগাযোগ হাব হিসাবে বিকশিত হওয়ার।
--
শেয়ার করুন