৩১ জানুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ০২:০২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিপা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ঘিরে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চিয়তা ‘উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিনঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালের মধ্যেই রয়েছে’ এনসিপির ৩৬ দফার ইশতেহার, কী আছে তাতে? ১২ ফেব্রুয়ারী ধানের শীষের পাশাপাশি হ্যা ভোট দেয়ারও আহ্বান তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের জয়, নাইকোকে ৫১৬ কোটি টাকা জরিমানা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচার সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য দণ্ডনীয় অপরাধ- ইসি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে- জাহাঙ্গীর তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আসন্ন সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাশের আহ্বান নিরাপদ কর্মপরিবেশের দায়িত্ব নিয়োগকর্তারই `খুব ঠান্ডা শীত এলে এখনো পিঠে ব্যথা হয়, কারাগারে নির্যাতনের ফল'


ঢাকা- বরিশাল রুটে লঞ্চ কমিয়ে দেয়া হয়েছে
পদ্মা সেতু ও জ্বালানী মুল্যবৃদ্ধি লঞ্চ ব্যাবসায় প্রভাব
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৪-০৯-২০২২
পদ্মা সেতু ও জ্বালানী মুল্যবৃদ্ধি লঞ্চ ব্যাবসায় প্রভাব ঢাকা- বরিশাল রুটের লঞ্চ/ছবি সংগৃহীত


ঢাকা বরিশাল রুটের লঞ্চ মালিক ব্যাবসায়ীগন বলেছিলেন,পদ্মা সেতুর প্রভাব তাদের লঞ্চ যাত্রী পরিবহনের উপর প্রভাব পড়বে না। কিন্তু বাস্তবে এসে সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন তারা। যাত্রী নেই। কমে গেছে। বরিশাল শহর থেকে ঢাকায় আড়াই ঘন্টা বা তার কিছু বেশী সময়ের মধ্যে যাওয়া ও আসা যায়। মানুষ এখন লঞ্চের আরামদায়ক ভ্রমনের জন্য দিনভর বসে থাকছে না।


তাছাড়া ঢাকা সদরঘাট পৌছাতে ও সদরঘাট থেকে ঢাকার যে কোনো স্থানে যেতে যে জানজট, সমস্যা সেটাও মানুষকে ভাবায়। সব মিলিয়ে ক্রমশ তারা বাসের উপর ঝুকে যাচ্ছে। লঞ্চ যাত্রীতে ভাটা পরেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জ্বালানীর দাম অত্যাধিক বৃদ্ধি। 

এতে করে বরিশাল ঢাকা বরিশাল রুটের লঞ্চ যাতায়াত সংখ্যা কমিয়ে এনেছে ব্যাবসায়ীরা। সমঝোতা করে আগেও চলতো। কিন্তু এখণ সেটাতে আরেকবার রিসিডিউল করেছেন তারা। এতে করে এ রুটে প্রতিদিন তিনটি লঞ্চ ঢাকা থেকে এবং একই দিন তিনটি লঞ্চ বরিশাল থেকে ছেড়ে যাবে। 

আগামী তিন থেকে চারদিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ঢাকায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থার সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

 জানা গেছে , ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচল করা ১৮টি লঞ্চকে ৬টি গ্রুপে ভাগ করা হয়।


ঢাকা- বরিশাল রুটের লঞ্চ/ছবি সংগৃহীত 


এর মধ্যে এ গ্রুপে- পারাবত ১১, সুন্দরবন ১১ ও কীর্তণখোলা ২।

 বি গ্রুপে- সুরভী ৮, মানামী ও অ্যাডভেঞ্চার ৯।

সি গ্রুপে- সুন্দরবন ১০, পারাবত ১২ ও অ্যাডভেঞ্চার ১। 

ডি গ্রুপে- পারবত ৯, সুরভী ৭ ও প্রিন্স আওলাদ ১০। 

ই গ্রুপে- পারাবত ১০, সুন্দরবন ১৬ ও কুয়াকাটা ২ এবং 

এফ গ্রুপে সুরভী ৯, পারাবত ১৮ ও কীর্তণখোলা ২০ লঞ্চ। 

প্রতিদিন ঢাকার সদরঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চ ভোর ৫টার মধ্যে বরিশাল নদী বন্দরে পৌঁছাবে এবং সেখান থে কে ছেড়ে যাওয়া ৩টি লঞ্চকে সকাল ৬টার মধ্যে ঢাকার সদরঘাটে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয় সভায়।

সভা সুত্রে জানা গেছে, মূলত লোকসান এড়াতে  এই সিদ্ধান্ত।


শেয়ার করুন