১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৭:৫৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান সংসদে প্রথমেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ তারাবি নামাজ চলাকালীন মসজিদ লক্ষ্য করে গুলি নিউ ইয়র্কে সামগ্রিক অপরাধ কমলেও ব্রঙ্কসে বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়কে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কেয়ারকে ফ্লোরিডা গভর্নরের সন্ত্রাসী ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের রায়


সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি হুমকির মুখে
বিশেষ প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-১০-২০২২
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি হুমকির মুখে ড. বদিউল আলম মজুমদার


দি হাঙ্গার প্রজেক্টের গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বর্তমানে হুমকির মুখে।

আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট প্রজেক্টের উদ্যোগে একটি অনলাইন গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন। দি হাঙ্গার প্রজেক্টের গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনা করেন এ অনুষ্ঠান। 

গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির এবং ইসলামি ফাউন্ডেশনের পরিচালক রফিকুল ইসলাম। এছাড়া তৃণমূলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ক্রিয়াশীল সর্বদলীয় পিস ফ্যাসিলিটিটর গ্রুপের প্রতিনিধিবৃন্দ অনলাইনে যুক্ত হয়ে নিজেদের কার্যক্রমের বিবরণ তুলে ধরেন।  

ড. বদিউল আলম আরো বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বর্তমানে হুমকির মুখে। অনেকে বলেন, আমরা বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছি। ২০১৪-এর নির্বাচন ও যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সহিংসতার প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে উপজেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্র করে শান্তি ও সম্প্রীতির লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে পিস ফ্যাসিলেটর গ্রুপ বা ‘সর্বদলীয় সম্প্রীতি উদ্যোগ’ গঠন করা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিবাদমান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ভিন্নতা সত্ত্বেও একই সমাজের মানুষ হিসেবে নিজেদের চিনতে সহায়তা করা হয় এবং সমাজের সাধারণ লক্ষ্যে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে ন্যূনতম ঐকমত্যের জায়গা চিহ্নিতকরণ ও একত্রে অহিংস উপায়ে কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। বর্তমানে দেশের ৩৩টি জেলার ৭২টি উপজেলাতে পিএফজির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।  

হুমায়ুন কবির বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমাদের বৈশ্বিক দায় রয়েছে। আমরা জাতিসংঘ সনদের প্রতি দায়বদ্ধ। জাতিসংঘ সনদ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের প্রণীত। দ্বিতীয়ত আমরা এসডিজির কথা বলি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে না পারলে উন্নয়ন টেকসই হবে না, এর সুফলও কেউ পাবে না। এছাড়া বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তীর্ণ হলে আমাদের মানুষের অধিকার, শান্তি সম্প্রীতি এগুলোর ওপর জোর দিতে হবে।  

রফিকুল ইসলাম বলেন, ইসলামের মূল দর্শন হলো শান্তি। ইসলাম শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছে। পিএফজিতে ধর্মীয় নেতাদের যুক্ত করলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারাও ভূমিকা রাখতে পারবে।

শেয়ার করুন