২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১১:২৭:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


বাংলাদেশ লুট হয়ে গেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে-নঈম জাহাঙ্গীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৬-০৩-২০২৩
বাংলাদেশ লুট হয়ে গেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে-নঈম জাহাঙ্গীর


মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজকে বিকাল  রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান কার্যালয়ে 'স্বাধীনতার ৫২ বছরপূর্তি: মুক্তিযোদ্ধাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও বর্তমান বাস্তবতা' শিরোনামে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন-এর প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম এর সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক মহাসচিব ও গণপরিষদ আন্দোলন-এর সমন্বয়ক নঈম জাহাঙ্গীর, বিশিষ্ট লেখক ও মুক্তিযোদ্ধা শেখ বাতেন, রাষ্ট্রচিন্তা জার্নালের সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান প্রমুখ। 


রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন-এর সাংগঠনিক সমন্বয়ক ইমরান ইমন এর সঞ্চালনায় সভাপতির বক্তব্যে হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ৭১ সালের আগে বাংলাদেশে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেই ঐক্য মুক্তিযুদ্ধের মধ্যেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের পরিকল্পনায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিভক্ত করার মাধ্যমে দেশকে চিরস্থায়ী বিভক্তির দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছিল। মহান স্বাধীনতা দিবসে আমাদের কর্তব্য হচ্ছে, বিদ্যমান বিভক্তিকে পরাজিত করে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এই স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। 


মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক মহাসচিব নঈম জাহাঙ্গীর বলেন, এই বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাওয়া বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ লুট করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে। আর লুট করা সম্ভব হয়েছে কারণ মুক্তিযুদ্ধের পরে স্বাধীন বাংলাদেশে দেশ গঠনে মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দেয়া। মুক্তিযুদ্ধের জেনারেশন এর সময় শেষের দিকে। এখনকার জেনারেশনকে এগিয়ে আসতে হবে দেশের দায়িত্ব কাধে তুলে নিতে। 


বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা শেখ বাতেন বলেন, যারাই ক্ষমতায় এসেছে একবার এমপি হলে আর ৫০ বছরে কামাই করা লাগে না। এই যে রাজনীতিকে সম্পদ বানানোর হাতিয়ার বানানো হয়েছে এই অবস্থা দেখার জন্য আমরা মুক্তিযুদ্ধ করিনি। সংবিধানে ভালো ভালো অনেক কথা থাকার পরেও সেগুলো শাসকদের মানানোর ব্যবস্থা করা যায়নি। সংবিধানকে সংস্কার করে প্রথমত সরকারকে বাধ্য করার ব্যবস্থা করতে হবে। 


রাষ্ট্রচিন্তা জার্নালের সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা মানুষের সার্বিক মুক্তির যে আশা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম সে আশা সার্বিকভাবে পূরণতো হয়ইনি বরং মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে একটা গণবিরোধী কলোনিয়াল রাষ্ট্র আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হয়। বর্তমান বাংলাদেশের তরুণদের এগিয়ে এসে এই শোষণ বান্ধব রাষ্ট্র কাঠামোকে সংস্কার করে বাংলাদেশকে উদ্ধার করতে হবে।


আলোচনা সভায় বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। 


শেয়ার করুন