০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৮:৩৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওয়ারেন্ট ছাড়া বাড়িতে প্রবেশের গোপন নীতি আইসের উবার ও লিফট চালকদের অধিকার রক্ষায় ডিঅ্যাকটিভেশন বিল পাস ৩ লাখ অভিবাসী শিশুর খোঁজে ফেডারেল অভিযান, ১.৪৫ লাখ শনাক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা গুলিতে আহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক, পুলিশের বক্তব্যে পরিবারের আপত্তি ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরে আইসকে বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি আইস সাতটি নতুন অভিবাসী আটক কেন্দ্র চালুর কথা ভাবছে সুপ্রিম কোর্টের রায় নির্ধারণ করবে ২ হাজার ডলারের স্টিমুলাস চেকের ভাগ্য ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান


খালেদা জিয়াকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৫-২০২৪
খালেদা জিয়াকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি


খালেদা জিয়াকে বুধবার দিনগত রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে তাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হলো।

তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন এদিন রাত সাড়ে ৯টায় গণমাধ্যমকে  বলেন, ‘‘ কিছু জরুরী পরীক্ষার জন্য ম্যাডামকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে উনাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে(সিসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। এখন উনার কিছু জরুরী পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। রাতেই মেডিকেল বোর্ড বসে চিকিৎসার পরবর্তি বিষয়গুলো ঠিক করবেন।”

গুলশানের বাস ‘ফিরোজা’ থেকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

 

সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসকরা তাকে সিসিইউতে রেখে দুইদিন চিকিতসা দেন। এরপর তাকে বাসায় চিকিৎসকদের নিবিড পর্যএবক্ষনে হাসপাতালের ছাড়পত্র দেয়া হয়।

সন্ধ্যায় হাসপাতালে নেওয়ার পরই তার বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড তাকে দেখার পর হাসপাতালে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা গেছে।

৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থরাইটিস, হৃদ্‌রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়া এবং দেশের বাইরে না যাওয়ার শর্তে ২০২০ সালের মার্চে সরকারের নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর সেই সাময়িক মুক্তির মেয়াদ প্রতি ছয় মাস পরপর বাড়ানো হলেও তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার অনুমতি দেয়নি সরকার।

শেয়ার করুন