২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১১:৩৪:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


অভিবাসন প্রশ্নে কমলার কঠোর মনোভাব
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০৯-২০২৪
অভিবাসন প্রশ্নে কমলার কঠোর মনোভাব কমলা হ্যারিস


প্রেসিডেন্ট পদে ডেমোক্রেটিক মনোনীত প্রার্থী হওয়ার পর বড় একটি সংবাদ সংস্থার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎকারে কমালা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তে অভিবাসনের বিষয়ে কঠোর মনোভাব পোষণ করার অঙ্গীকার করেন এবং বলেন, তিনি ইসরায়েলকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করবেন না। সিএনএনের উপস্থাপক ডেনা ব্যাশের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে হ্যারিস দেখাতে চেয়েছিলেন যে তিনি বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত। ৫ নভেম্বর নির্বাচনের আর মাত্র দুই মাসের কিছু বেশি সময় বাকি।

কমালা হ্যারিস বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কঠোর করার জন্য ব্যাপক সীমান্ত আইন নবায়ন করবেন। তিনি সীমান্ত পারাপারের বিরুদ্ধে ‘আমাদের আইন প্রয়োগ’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। হ্যারিস বলেন, ‘আমাদের আইন অনুসরণ ও প্রয়োগ করতে হবে, যারা অবৈধভাবে আমাদের সীমান্ত অতিক্রম করে তাদের চিহ্নিত ও মোকাবিলা করতে হবে এবং এর একটি বিহিত হওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, তিনি শক্তিশালী ইসরায়েলকে সমর্থন করেন, কিন্তু গাজা সংঘাতে যুদ্ধবিরতির জন্য আমাদের অবশ্যই একটি চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে। গত মাসে প্রেসিডেন্ট পদে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হওয়ার পর থেকে কমলা হ্যারিস নির্বাচনে এগিয়ে এসেছেন, প্রচারণার জন্য শত শত মিলিয়ন ডলার অনুদান এনেছেন এবং বেশ কয়েকটি জোরালো প্রচারণা বক্তব্য দিয়েছেন। গত ২৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রয়টার্স/ইপসোস জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে চার শতাংশ ভোটে তিনি এগিয়ে আছেন। এতে দেখা যায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভোটারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার করেছেন।

কমালা হ্যারিস তার এবং বাইডেনের মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলার পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, তারা উত্তরাধিকার সূত্রে একটি মহামারী-বিধ্বস্ত অর্থনীতি পেয়েছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের অব্যবস্থাপনায় এই অবস্থা তৈরি হয়েছিল। তিনি আরো বলেন, দাম কমানোর জন্য অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তবে ‘দাম এখনো বেশি।’

শেয়ার করুন