১৬ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৬:৬:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন
কুসিকে নির্বাচন কমিশনের অগ্নিপরীক্ষা
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৪-০৬-২০২২
কুসিকে নির্বাচন কমিশনের অগ্নিপরীক্ষা


রাত পোহালেই কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। সরকারি দল একক প্রার্থী নির্বাচন দিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কোনো ভাবে সামাল দিয়েছে। প্রধান বিরোধী দল কৌশলগত কারণে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করলেও নির্বাচনের মাঠে আছে তাদের দলছুট দুইজন প্রার্থী। নির্বাচন কমিশন একজন প্রার্থীর অভিযোগের স্থানীয় প্রভাবশালী সাংসদ বাহারকে প্রথমে সতর্ক এবং পরবর্তীতে নির্বাচন এলাকা ত্যাগ করার লিখিত অনুরোধ করলেও উপেক্ষা করেছেন সংসদ। তিনি এলাকার ভোটার। তাঁর  কিন্তু অধিকার আছে নিজের বাসায় থাকার এবং ভোট দেয়ার।

কিন্তু তাঁর মতো জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী সংসদ নির্বাচন এলাকায় থাকলে সরকারি দলের সাংসদ সুবিধা পাবে সেটি সহজেই অনুমেয়। প্রতিবেদক বিজিএসএলের সূচনালগ্নে ১৯৮০ এবং ১৯৯০ দশকের অনেকটা সময় কুমিল্লা  থাকার সুবাদে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব) আকবার হোসেন, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আফজাল খান এবং সংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহারের রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত। বাহারের জনপ্রিয়তা তাঁর জন্য প্রতিবন্ধক কেন হবে সেটিও বিবেচ্য। 

নির্বাচন কমিশন বলছে তাঁরা নাকি এক্ষেত্রে অসহায়।  আইন কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে অবাধ সুষ্ট নির্বাচন নিশ্চিত করার অবাধ ক্ষমতা দিয়েছে। কমিশন কিন্তু বিষয়টি পার্লামেন্ট স্পিকারের দৃষ্টি গোচর করতে পারতেন। একটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একজন সংসদের আচরণেই অসহায় হয়ে পরেন নির্বাচন কমিশন, তাহলে তাদের উপর জাতীয় নির্বাচন নিরপেক্ষতা বিষয়ে জনগণ কিভাবে আস্থা রাখবে? এটা এখণ বড় প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়ে গেছে। 

আমি এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন বিষয়ে গভীর ভাবে অবহিত নই।  তবে এতটুকু বুঝি কমিশন নিশ্চিত হলে সাংসদের উপেক্ষার কারণে নির্বাচন স্থগিত করতে পারেন। এমনকি সরকারি দলের প্রাথীর প্রার্থিতা বাতিল করার সুযোগ রয়েছে। কার মান গেলো, বা না গেলো তাতে কারো কিছুই যায় আসে না। সরকারি দল কিন্তু এ ক্ষেত্রে বাহারকে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধ মানার কথা বলতে পারতেন। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ফলাফল ভিত্তিতে সরকার পরিবর্তন হবেনা। এখন নিরেপেক্ষ নির্বাচনে সরকারি দলের বিজয় হলেও সেটি প্রশ্নবিদ্ধ হবে। 

দেখা যাক নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ করে নির্বাচন কম্মিশন আদৌ অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে কিনা? 


শেয়ার করুন