২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ০৫:১৪:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


বিয়ানীবাজার সমিতির নির্বাচন নিয়ে মামলা
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৮-১০-২০২৫
বিয়ানীবাজার সমিতির নির্বাচন নিয়ে মামলা প্রতীকী ছবি


প্রবাসের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন বিয়ানীবাজার সমিতির নির্বাচনের তারিখ আগামী ২৬ অক্টোবর। সেই নির্বাচনে ভোটারের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে এই মামলা দায়ের করা হয়। একটি নয় দুটো মামলা দায়ের করা হয়েছে। একটি মামলায় বিবাদী করা হয় বিয়ানীবাজার সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম অপুকে। এই মামলার ইনডেক্স নম্বর হচ্ছে-৭২৯৯৪৩/২০২৫। দ্বিতীয় মামলায় বিবাদী করা হয় বিয়ানীবাজার সমিতির নির্বাচন কমিশনকে। যার মধ্যে ৫ জনের নাম রয়েছে। তারা হলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার আজিমুর রহমান পাখি, কমিশনের সদস্য শামীম আহমেদ, আমিনুল হোসেন, বজলুর রহমান ও আব্দুল জলিল চৌধুরী। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ইনডেক্স নম্বর হচ্ছে ৭২৯৯৪৫/২০২৫। দুটো মামলার বাদী হচ্ছেন বিয়ানীবাজার সমিতির সদস্য বোরহান উদ্দিন কপিল, মঈনুজ্জামান চৌধুরী, আজিজুর রহমান সাবু, ফয়েজুর মিয়া ও মোহাম্মদ এস উদ্দিন।

সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম অপু মামলার কাগজ পেয়েছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে নির্বাচন বন্ধ করার জন্য। সেই সাথে ডাবল ও জাল ভোট বাদ দেয়ার জন্য। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন বন্ধ করার জন্য বলা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আজিজুর রহমান পাখি জানিয়েছেন, তারা মামলার কাগজ পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্য এবং উপদেষ্টা পরিষদের সাথে বৈঠক করে তারা মামলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবেন। অন্যদিকে মামলার ব্যাপারে রেজাউল আলম অপুর সাথে যোগাযোগ করলে মতামত তুলে ধরে তিনি বলেন, ডাবল ভোট গতবারও ছিলো, এমনকি এর আগের বারও ছিল। বিগত নির্বাচনে ৫শর বেশি ভোট ডাবল ছিল। ডাবল ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে ভোটার নিবন্ধের কাজ সভাপতি আব্দুল মান্নান ও দপ্তর সম্পাদক শামছুল আলম শিপলু সহযোগে সমাপ্ত করে সভাপতি ও সেক্রেটারির স্বাক্ষরে নির্বাচন কমিশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

মামলার ব্যাপারে বাদী মঈনুজ্জজামান চৌধুরী বলেন, আমার ভোটার তালিকায় কয়েক শত ডাবল ভোট দেখেছি, এক ফোন নম্বরেও কয়েক শত ভোট দেখেছি। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে পর পর তিনটি চিঠি দিয়েছি কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। যে কারণে আমরা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি।

শেয়ার করুন