১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৪:৪২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান সংসদে প্রথমেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ তারাবি নামাজ চলাকালীন মসজিদ লক্ষ্য করে গুলি নিউ ইয়র্কে সামগ্রিক অপরাধ কমলেও ব্রঙ্কসে বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়কে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কেয়ারকে ফ্লোরিডা গভর্নরের সন্ত্রাসী ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের রায়


৭০ সালের মতো গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের দাবী
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-১১-২০২২
৭০ সালের মতো গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের দাবী


৭০ সালের মতো গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের দাবী করেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। আজ ৪ নভেম্বর ৫০ তম সংবিধান দিবসে 'সংবিধান সংস্কার কেন প্রয়োজন এবং কীভাবে সম্ভব' শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্চে এ সভার সভাপতিত্ব করেন দলের সাংগঠনিক সমালোচক রাখাল রাহা। আলোচ্য বিষয়ে লিখিত প্রবন্ধ উত্থাপন করেন দলের মিডিয়া ও প্রচার সমন্বয়ক সৈয়দ হাসিবউদ্দিন হোসেন।


প্রবন্ধে সংবিধান সংস্কারের ৪টি উপায় উল্লেখ করা হয়।

দলের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার লাগবেই, এটা এখন সর্বজন স্বীকৃত। আমাদের সকল বাস্তবতা বিবেচনায় নিলে ৭০ সালের মতো গণপরিষদ নির্বাচন সবচেয়ে উপযুক্ত উপায়। 

বর্তমান মাফিয়া সরকারের পতন নিশ্চিত করে আন্দোলনকারী দলগুলোর সমন্বয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করতে হবে। সংবিধানের কোথায় কোথায় কেমন পরিবর্তন হবে, সে বিষয়ে ঐক্যমত প্রতিষ্ঠা করে সে সরকারের অধীনে গণপরিষদ নির্বাচন হবে। নির্বাচিতরা গণপরিষদের সদস্য হিসেবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংবিধান সংস্কারের দায়িত্ব পালন করবেন। গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের প্রস্তাবিত সংস্কার সম্পন্ন করার পর নির্বাচিতরা সে সংশোধিত সংবিধানের ভিত্তিতে সরকারের দায়িত্ব পালন করবেন।

সভায় মূল আলোচক হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বকারী জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্ববায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জেএসডি'র কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক মহাসচিব নঈম জাহাঙ্গীর।

জোনায়েদ সাকি বলেন, এখনকার সরকার নির্বাচন নির্বাচন খেলা খেলছেন জনগণের ভোট দেয়ার সুযোগটাকে কেড়ে নিয়ে। নতুন গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত নিশ্চিত করেই দেশের পরবর্তী রাজনৈতিক পট পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।

সাইফুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাইলেই কাউকে জেল খানায় নিতে পারেন, বের করতে পারেন আবার জেলখানায় ফেরত নিয়ে যেতে পারেন। এই সংবিধান দিয়ে আর চলছে না।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এখন প্রয়োজন একটা সেকেন্ড রিপাবলিক তৈরি করা এবং একটা সম্পূর্ন নতুন সংবিধান তৈরি করা। সভাপতির বক্তব্যে রাখল রাহা সামনের দিনগুলো সাধারণ মানুষের হবে, মাফিয়াদের হবে না - এই আশা নিয়ে সভার সমাপ্তি টানেন।

এছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ খন্দকার নিয়াজ রহমান, দেশপ্রেমিক মঞ্চের অন্যতম সমন্বয়ক ইসমাইল সম্রাট, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক, সৈয়দ হারুন অর রশীদ সভায় বক্তব্য রাখেন। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে আরো বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা মোঃ শাহাবুদ্দিন, সদস্য সাধনা মহল, জাতীয় সমন্বয় কমিটির অন্যতম সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সিনিয়র সাংবাদিক মাহমুদ জামাল কাদেরি প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অর্থনৈতিক সমন্বয়ক দিদারুল ভূঁইয়া।


শেয়ার করুন