১২ এপ্রিল ২০১২, বুধবার, ০১:৩৭:৩৫ পূর্বাহ্ন


মন্তব্য পিটার ডি হাসের
গণতান্ত্রিক নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতেই যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসানীতি
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৬-০৫-২০২৩
গণতান্ত্রিক নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতেই যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসানীতি


বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতেই যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বিকেলে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওই সাক্ষাৎ শেষে পিটার হাস বলেন, এটি পূর্বনির্ধারিত সাক্ষাৎ ছিল এবং আমাদের নিয়মিত বৈঠকের অংশ। বৈঠকে দুই দেশের চমৎকার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি যে নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করেছে তা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি।


মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি এবং শুক্রবার আমাদের (যুক্তরাষ্ট্র) বিবৃতিতে যা দেখেছেন, তা বাংলাদেশের জনগণ, সরকার ও প্রধানমন্ত্রীসহ সবার জন্য একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসানীতিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অব্যাহত অঙ্গীকারের প্রতি জোড়ালো সমর্থনের জন্য সরকার যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রশংসা করছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসানীতি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, এতে চিন্তার কিছুই নেই। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের যে অঙ্গীকার, একটি অবাধ-সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আমরা করতে চাই, এটাকেই তারা সমর্থন দিয়েছেন। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট আয়োজন করতে যত ধরনের আয়োজন করা প্রয়োজন, আমরা তা করব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। 


শেয়ার করুন