সারাদেশে একটি আসনও পায়নি স্বৈরাচার দোসর খ্যাত জাতীয় পার্টি (জাপা)। এমনকি জাপার দুর্গ হিসেবে পরিচিত রংপুরেও লড়াই করতে পারেনি দলটি। জয়তো দূরের কথা, দ্বিতীয় স্থানও অর্জন করতে পারেননি দলের কোনো প্রার্থী। শীর্ষ দুই নেতা চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী নিজ নিজ আসনে তৃতীয় হয়েছেন।
রংপুর-৩ (সিটি করপোরেশন ও সদর) আসনে জিএম কাদের তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়েছেন। ২০২৪ সালে তিনি এ আসন থেকেই নির্বাচিত হয়ে সংসদে বিরোধী দলের নেতা হয়েছিলেন। একইভাবে গাইবান্ধা-১ আসনে শামীম হায়দার পাটোয়ারী ৩৩ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন।
রংপুর অঞ্চলে জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলাম। রংপুর-১ আসনে জামায়াতের রায়হান সিরাজী ১ লাখ ৭৪ হাজার ২৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোকারম হোসেন সুজন পান ৬৯ হাজার ১৩১ ভোট।
রংপুর-২ আসনে জামায়াতের এটিএম আজাহারুল ইসলাম ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৫৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পান ৮০ হাজার ৫৩৮ ভোট।
রংপুর-৩ আসনে জামায়াতের মাহবুবার রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বিএনপির শামসুজ্জামান সামু পান ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট।
রংপুর-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আখতার হোসেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা পান ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট। রংপুর-৫ আসনে জামায়াতের গোলাম রব্বানী ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বিএনপির গোলাম রব্বানী পান ১ লাখ ১৫ হাজার ১১৬ ভোট। রংপুর-৬ আসনে জামায়াতের নুরুল আমীন ১ লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে জয়ী হন। বিএনপির সাইফুল ইসলাম পান ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৩ ভোট।
অপরদিকে গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতের মো. মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট।