২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০২:২১:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশ্রয়প্রার্থীদের কাজের অনুমতিতে কঠোর কড়াকড়ি ঝুলে গেল ট্রাম্পের ২ হাজার ডলারের ট্যারিফ ডিভিডেন্ড চেক পরিকল্পনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশে বৃদ্ধি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার দ্রুত গণনির্বাসনে নতুন বিধি জারি নিউইয়র্ক সিটির আর্থিক সংকট মোকাবিলায় দেড় বিলিয়ন ডলার সহায়তা ঘোষণা


চবি অ্যালামনাইয়ের অনুষ্ঠানে কবি আসাদ মান্নান
৭০ সালের নির্বাচনে আমি জালভোট দিয়েছিলাম
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০৮-২০২২
৭০ সালের নির্বাচনে আমি জালভোট দিয়েছিলাম


১৯৭০ সালের নির্বাচনে আমি জালভোট দিয়েছিলাম। এটা নিয়ে আমি অহংকার করি। যদিও আমাকে আমার শিক্ষক ধরেছিলেন। আমি বললাম স্যার আমি ভোটার হয়েছি। ভোটার লিস্টে আমার নাম দেখে তিনি বাধা দিলেন না। আমি জানি, আমার এলাকার এক নেতা ছেলের নামের সাথে আমার নামের মিল ছিলো। ১৯৭০ সালের নির্বাচন না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। গত ৩০ জুলাই সন্ধ্যায় জ্যামাইকার একটি রেস্টুরেন্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক আসাদ মান্নান এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশেন সভাপতি মাহমুদ আহমেদের সভাপতিত্বে এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর শাহ নেওয়াজ ডিকেন্স ও ছন্দা বিনতে সুলতানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি আসাদ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন লেখক ও কবি সিরাজুল ইসলাম মনির ও কবি জিন্নাহ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এম মওলানা দিলু, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, বিষ্ণু গোপ, শামীম আল মামুন, ইঞ্জিনিয়ার আবু তাহের, আনোয়ারুল করিম, কাজী রফিক, শামসুদ্দীন মাহমুদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কবি আসাদ মান্নান বলেন, ভালোবাসাই পারে বিশ্বকে জয় করতে। আজকের অনুষ্ঠানে যারা এসেছেন তারা ভালোবাসার টানেই এসেছেন। আমি এমন একজন মানুষ- বন্ধুর হাত ধরেই আমি পাহাড় ডিঙাতে পারি। আমি বাংলা একাডেমির পুরস্কার পেয়েছি আমার বন্ধুদের কারণে। তারা আমাকে কবি বলেছেন বলেই রাষ্ট্র আমাকে কবি বলেছে। আমার কাছে বাংলা একাডেমির পুরস্কারের চেয়ে আমার বন্ধু অনেক বেশি। কারণ তারাই আমার সমস্ত অর্জনের মূল। তিনি বলেন, আমি যখন চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ি তখন পাকিস্তানের পক্ষে একটি জারিগান লিখেছিলাম। কিন্তু আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু যখন শোষণের কথা তুলে ধরলেন- তখন আমি সোচ্চার হই। তখন লিখি পদ্মা মেঘনা যমুনা তোমার আমার ঠিকানা। আমার নেতা, তোমার নেতা বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে দেশবিরোধী রাজনীতি ঢোকাবেন না। জাতিকে বিভ্রান্তি করবেন না। আমরা ক্রাইসিস মোকাবিলা করবো। শ্রীলঙ্কার দোহাই আমাদের দেবেন না। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলঙ্কা হবে না। তিনি বলেন, আমরা সকল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শক্ত পায়ে দাঁড়াবো। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথেই শেখ হাসিনা দেশ চালাচ্ছেন জনগণকে সাথে নিয়েই। এ ছাড়াও তিনি পরবর্তী প্রজন্ম বাংলা ভাষা এবং বাংলা সংস্কৃতি জানবে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি কালচারাল প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহবান জানান।

সিরাজুল ইসলাম মানিক বলেন, এ পর্যন্ত যারা ইতিহাস লিখেছেন সেগুলো নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। আমি ৫ বছর গবেষণা করে ’৪৭ থেকে ’৭২ সাল পর্যন্ত সময়কাল নিয়ে বই লিখেছি। ’৭২ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জীবনী লিখেছি।

কবি জিন্নাহ চৌধুরী স্মৃতিচারণ করেন এবং কবিতা আবৃত্তি করেন।

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন এবং কবিতা আবৃত্তি করেন- ফাহমিদা জিগর জাহান, বিষ্ণু গোপ, প্লামি দাস, নোমান সরকার, সৈয়দা পারভীন পলি, কবিতা সেন, ছন্দা বিনতে সুলতান, নাসিমা আক্তার প্রমুখ।


শেয়ার করুন