০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৮:১৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওয়ারেন্ট ছাড়া বাড়িতে প্রবেশের গোপন নীতি আইসের উবার ও লিফট চালকদের অধিকার রক্ষায় ডিঅ্যাকটিভেশন বিল পাস ৩ লাখ অভিবাসী শিশুর খোঁজে ফেডারেল অভিযান, ১.৪৫ লাখ শনাক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা গুলিতে আহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক, পুলিশের বক্তব্যে পরিবারের আপত্তি ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরে আইসকে বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি আইস সাতটি নতুন অভিবাসী আটক কেন্দ্র চালুর কথা ভাবছে সুপ্রিম কোর্টের রায় নির্ধারণ করবে ২ হাজার ডলারের স্টিমুলাস চেকের ভাগ্য ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান


রাজধানীর বিভিন্নস্থানে গ্যাসের গন্ধে আতঙ্ক
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৫-০৪-২০২৩
রাজধানীর বিভিন্নস্থানে গ্যাসের গন্ধে আতঙ্ক


রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা তিতাস ফ্রাঞ্চাইজ এলাকায় প্রাকৃতিক গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। তিতাস গ্যাস এবং জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর ব্যাখ্যাও রয়েছে এ ক্ষেত্রে। গ্যাস লাইনের গ্যাস ব্যাবহার কমলে (ঈদের ছুটির কারণে) গ্যাস লাইনে চাপ বেড়ে গেলে গ্যাস বেরিয়ে পড়বে, গন্ধ ছড়াবে- এটির কারিগরি ব্যাখ্যার গ্রহণ যোগ্যতা নাই। মুলত গ্যাস বেরুতে থাকলে জনগণের আতংকিত হবার যথেষ্ট কারণ আছে।


কারন এসময় দেখতে হবে কোথায় কোথায় লিকেজ হচ্ছে ? সেখানে বিতরণ লাইন লিকেজ আছে কিনা? এমতাবস্থায় বিষয়টি হালকা করে দেখা সঠিক হবে না। গ্যাস পাইপ লাইন অথবা প্রান্তিক স্থাপনায় লিকেজ না থাকলে বিতরণ এলাকায় গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার কোনো কারণ নেই।  প্রাকৃতিক গ্যাস স্বাদ ,গন্ধ বর্ণহীন হাইড্রোকার্বন। গ্যাস লিকেজ নিশ্চিত করার জন্য নিদৃষ্ট মাত্রায় সালফার যুক্ত ওডারেন্ট (টিএইচটি) প্রয়োগ করা হয়।


শুনছি তিতাস গ্যাস এবং অন্যান্য কোম্পানির গ্যাস বিতরণ এলাকায় নিয়মিত ওডারেন্ট প্রয়োগ করা হয়না।  হলে এত বিপুল পরিমান অবৈধ সংযোগ, অবৈধ গ্যাস লাইন থাকতো না। অন্তত এখন গ্যাস নীরব ঘাতক হবে না যা নিকট অতীতে বার বার হয়েছে। পেট্রোবাংলার উচিৎ হবে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নেয়া। এবং বিতরণ সিস্টেমে ব্যাপক লিক অনুসন্ধান করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের। এতে করে গ্যাস সাশ্রয় হবে লিকেজ বন্ধ হয়ে জনগনের আতংক হওয়াও আর থাকবে না।   


শেয়ার করুন