০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০১:০৭:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওয়ারেন্ট ছাড়া বাড়িতে প্রবেশের গোপন নীতি আইসের উবার ও লিফট চালকদের অধিকার রক্ষায় ডিঅ্যাকটিভেশন বিল পাস ৩ লাখ অভিবাসী শিশুর খোঁজে ফেডারেল অভিযান, ১.৪৫ লাখ শনাক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা গুলিতে আহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক, পুলিশের বক্তব্যে পরিবারের আপত্তি ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরে আইসকে বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি আইস সাতটি নতুন অভিবাসী আটক কেন্দ্র চালুর কথা ভাবছে সুপ্রিম কোর্টের রায় নির্ধারণ করবে ২ হাজার ডলারের স্টিমুলাস চেকের ভাগ্য ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান


সিরাজুল আলম খানের ইন্তেকাল
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৯-০৬-২০২৩
সিরাজুল আলম খানের ইন্তেকাল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খান/ফাইল ছবি


মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খান আজ বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তার বয়স ছিল ৮২ বছর। সিরাজুল আলম খান ঢামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে দুপুর আড়াইটার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

গত ২০ মে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার (গতকাল) তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের প্রতিষ্ঠাতা সিরাজুল আলম খান ১৯৪১ সালের ৬ জানুয়ারি নোয়াখালী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি খুলনা জিলা স্কুল, ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন।

তিনি ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ৬ দফা দাবির সমর্থনে জনমত গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি।


সিরাজুল আলম খান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুর হক মনির সঙ্গে তার মতভেদ তৈরি হয় এবং তিনি ছাত্রলীগ থেকে সরে যান। পরবর্তীতে তার অগ্রণী ভূমিকায় গঠিত হয় নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। জাসদ প্রতিষ্ঠায় তিনি নেতৃত্ব দিলেও তিনি দলটির নেতৃত্বে আসেননি।  তবে তার দিকনির্দেশনায়ই স্বাধীনতার পর জাসদ তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। 


জাসদের ‘তাত্ত্বিক গুরু’ সিরাজুল আলম খান কখনও জনসম্মুখে আসতেন না এবং বক্তৃতা-বিবৃতি দিতেন না। আড়ালে থেকে তৎপরতা চালাতেন বলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘রহস্য পুরুষ’ হিসেবে পরিচিতি পান।

 

শেয়ার করুন