১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৩:১৭:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


৬ ডিসেম্বর সংবিধান সংরক্ষণ দিবসে জাপার আলোচনা
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৩-১২-২০২৩
৬ ডিসেম্বর সংবিধান সংরক্ষণ দিবসে জাপার আলোচনা যুক্তরাষ্ট্র জাপার সভায় নেতৃবৃন্দ


বাংলাদেশের সংবিধান সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে গত ৮ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় এস্টোরিয়ার একটি রেস্টুরেন্টে জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার উদ্যোগে এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা আবু তালেব চৌধুরী চান্দুর পরিচালনায় আলোচনা সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জাপার উপদেষ্টা মোহম্মদ আলী, উপদেষ্টা আবদুল বাসেত, উপদেষ্টা মনির আহমেদ, ‍সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম চৌধুরী, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট হারিস উদ্দিন আহমেদ, সহ-সভাপতি আজাহারুল হক খোকা, সহ-সভাপতি আবুল বাসার মিলন, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর জাকির, যুববিষয়ক সম্পাদক শফি আলম, যুগ্ম-প্রচার সম্পাদক ওয়াহিদ ফেরদৌস, জাতীয় যুব সংহতির মোজাফ্ফর হোসেন, জাতীয় ছাত্রসমাজের আব্দুর রশিদ, সদস্য আবদুল কাদের, সদস্য হাফিজুর রহমান, সদস্য মো. মহসিন, জতীয় শ্রমিক পার্টি আবদুল মোতালেব, সদস্য এম ডি মুসলিম প্রমুখ।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেস্বর বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রপতি ও পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সংবিধান সমুন্নত রেখে তৎকালীন বিরোধী জোট ও সুশীল সমাজের দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে বিনা রক্তপাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করতে হয়। মানুষ মারা যায় শুধু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য। কিন্তু ক্ষমতালোভীরা তা দিতে চায় না। নুর হেসোন ও ডাঃ মিলনের আত্মত্যাগের কথা তারা স্মরণ করে না। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে ভোট চুরি এবং ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় থাকা। সেই সঙ্গে গণতন্ত্রকামী মানুষের নির্যাতন, গুম এবং হত্যা। তারা আরো বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে গণতন্ত্র ও দেশের মানুষ এখন আর নিরাপদ নয়। যারা আজ স্বৈরাচার পতন দিবস পালন করে তাদের বলবো আগে আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন। বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন যাতে সকল দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য হয় সেই ব্যবস্থা করুন। তারা বলেন, আজ দেশের মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার বাইরে, বাজারে গেলে মানুষের মাথায় হাত দিতে হয়, সাধারণ মানুষ তাদের চাহিদা মতো খাদ্য সংগ্রহ বা বাজার করার সক্ষমতা নেই। মানুষ যাতে দু’মুঠো ভাত খেতে পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন