২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ০৬:১৬:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


‘দেশ কোন দিকে যাচ্ছে, দেশের অবস্থা কি? প্রশ্ন কর্নেল (অব.) অলি’র
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-০৪-২০২৪
‘দেশ কোন দিকে যাচ্ছে, দেশের অবস্থা কি? প্রশ্ন  কর্নেল (অব.) অলি’র


‘দেশ কোন দিকে যাচ্ছে, দেশের অবস্থা কি? মনে হয় ১৯৭২-৭৩ সালের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে বর্তমান সরকার গোপন কক্ষে জালভোট প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছে। জনগণের কাছে তাদের কোনো জবাবদিহি নেই।’ - এ প্রশ্ন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রমের। তিনি আরো বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ঘোষণা দিয়ে ব্যাংক ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। কু-কি চিনের সদস্যরা ব্যাংকে হামলা চালিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়েছে এবং অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা পয়সা লুট করে। অনেককে অপহরণও করা হয়েছে।’  

অলি আহমদ সরকারকে উদ্দেশে  বলেন, এখনো সময় আছে, দয়া করে সৎ,দক্ষ, পরীক্ষিত, দেশপ্রেমিক নেতাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে প্রস্থান করুন, তাহলেই দেশের মঙ্গল।

আজ শুক্রবার (৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে কর্নেল অলি আরো বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে আগুন লেগে মানুষ সর্বস্বান্ত। হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে। কয়েকটি শপিংমলেও আগুন লেগেছে। দীর্ঘ প্রায় ৪৬ বছর পর নতুনভাবে পাটের গুদামে আগুন লাগছে। দেশে পেঁয়াজ এবং আলুর রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও বিদেশ থেকে কেনো আমদানি করা হচ্ছে?’


তিনি আরও বলেন, রিজার্ভ হ্রাস পাওয়ার কারণে দ্বিতীয় কিস্তি আইএমএফ এর ঋণ পাওয়া যাবে কিনা এখনো বিষয়টি পরিষ্কার নয়। অন্যদিকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের দেনা ১.২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অনেকগুলি গার্মেন্টস শিল্প বন্ধ হয়ে গেছে। ডলারের অভাবে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধ সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে না। সবকিছু মিলে দেশে হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করছে।  




শেয়ার করুন