০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৩:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব আমেরিকানদের গৃহস্থালি ঋণ ১৮.৮ ট্রিলিয়ন, ক্রেডিট কার্ড ১.২৬ ট্রিলিয়ন ওহাইওতে মসজিদে সাত বছরে তৃতীয় হামলা জনপ্রিয় হচ্ছে তিন বছরের কলেজ ডিগ্রি, তবে আছে বিতর্ক মুসলিম নারীকর্মীর বৈষম্যের অভিযোগে ওক পার্ক সিটির বিরুদ্ধে মামলা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি মহসিন রানা নিহত


উইন রোজারিও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ নেই
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৯-০৪-২০২৪
উইন রোজারিও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ নেই প্রতিবাদ সভায় অংশগ্রহণকারীরা, (ইনসেটে) উইন রোজারিও


গত ২৭ মার্চ নিউইয়র্কের পুলিশ বাংলাশেী আমেরিকান উইন রোজারিওকে তার মায়ের সামনে গুলি করে। গুলি করার সঙ্গে সঙ্গেই উইন রোজারিও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এই নৃশংস হত্যাণ্ডের পর কমিউনিটির সর্বস্তরের লোকজনকে প্রতিবাদ মুখোর হতে দেখা যায়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজন বিভিন্ন ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। ঐ পর্যন্তই শেষ। সেই সব প্রতিবাদ সমাবেশে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কন্সাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হুদা, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানসহ খ্রিস্টার সম্প্রদায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। তারা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।

গত ৬ এপ্রিল ছিলো উইন রোজারিওর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং লংআইল্যান্ডে দাফন। এখানো উইর রোজারিও মা ছেলের জন্য বিলাপ করছেন। তার বিলাপে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পাশে কমিউনিটি নেই। ৬ এপ্রিল উইন রোজারিওর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। উপস্থিত ছিলেন না বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ। ছিলেন না নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কন্সাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হুদা, বাংলাদেশ সোসাইটি এবং রাজনৈতিক দলের কোন সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি আমেরিকান বাংলাদেশি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের কোন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন না। অনেকেই প্রশ্ন করেছেন তাহলে বাপার কাজ কী? কমিউনিটির এই বিপদের সময় তারা কমিউনিটির পাশে নেই কেন? তাহলে এই সংগঠনের কাজ কী? শুধু চাঁদাবাজি করে ইফতার ও ডিনারের ব্যবস্থা করা? কন্সাল জেনারেলই বা যাননি কেন? বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মকর্তারাও যাননি কেন? তবে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের কিছু নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন মানবাধিকার সংগঠন ড্রামসহ আরো কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জ্যাকসন হাইটসের মতো জায়গায় প্রতিবাদ করে বাঙালিকে হাইকোর্ট না দেখিয়ে উইন রোজারিওর হত্যাকারীদের বিচারে তাদের পরিবারের পাশে থাকা উচিত এবং বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন করে যাওয়া উচিত।

শেয়ার করুন