২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ০২:০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ
প্রতিদিন ২৫০০ অভিবাসী সীমান্ত অতিক্রম করতে পারবেন
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-০৬-২০২৪
প্রতিদিন ২৫০০ অভিবাসী সীমান্ত অতিক্রম করতে পারবেন দক্ষিণ সীমান্তে অভিবাসীদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে ন্যাশনাল গার্ড


সীমান্তে অভিবাসীদের আগমন নিয়ে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত ৪ জুন মঙ্গলবার দক্ষিণ সীমান্তে আশ্রয় সীমিত করার লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশ ঘোষণা করেন। এর ফলে সীমান্ত অতিক্রমকারী অভিবাসীদের সংখ্যা হ্রাস পাবে। এই আদেশের ফলে দৈনিক ২৫০০ অভিবাসী সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করতে পারবেন। গড়ে এর বেশি অভিবাসী অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশন করলে ইউএস কাস্টম এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়ের আবেদনগুলি আর গ্রহণ করবে না। তাদের ফিরিয়ে দেবেন। সংখ্যাটি ১,৫০০ এ নেমে গেলেই সীমান্তটি পুনরায় চালু করা হবে। বাইডেনের আদেশটি অভিবাসন এবং জাতীয়তা আইনের ধারা ২১২(এফ) এবং২১৫(এ) এর অধীনে ঘোষণা করেন। নতুন নীতির মূল লক্ষ্য হল যারা পূর্ব অনুমোদন ছাড়াই সীমান্ত অতিক্রম করবে তাদের ফিরিয়ে দেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ইউএস সিটিজেন এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসকে। তারা তাদের বহিষ্কারও করতে পারেন। তবে এই আদেশের অধীনে বহিষ্কৃত অভিবাসীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুনঃপ্রবেশের জন্য ন্যূনতম পাঁচ বছর পর সুযোগ পাবেন এবং এর ব্যত্যয় হলে তারা বিচারের মুখোমুখি হবেন।

হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তার মতে ৪ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে আশ্রয় প্রার্থী অভিবাসীদের ফিরিয়ে দেয়া শুরু করেছে। যদিও নতুন আদেশটি নিশ্চিতভাবে দ্রুত আইনি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে জানিয়েছে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন।

অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিধিনিষেধের ব্যতিক্রম থাকবে:

সঙ্গীহীন অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এ আইন প্রযোজ্য হবে না। যারা নিপীড়ন বা সম্ভাব্য নির্যাতনের কারণে তাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার ভয় প্রকাশ করবেন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাদের স্বাক্ষাতকার নিতে বাধ্য হবেন। বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মতে, নতুন আদেশে আশ্রয়প্রার্থী এবং উদ্বাস্তুদের চিকিৎসার বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলবে। 

নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশনের প্রেসিডেন্ট মুরাদ আওয়াদেহ এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এই আদেশটি বেপরোয়া পদেক্ষেপ এবং রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি। এটি আমাদের জাতির উপর একটি কালো দাগ। এই কার্যনির্বাহী পদক্ষেপটি অনেক পরিবার এবং ব্যক্তিদের ক্ষতি করবে।

শেয়ার করুন