৩১ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০৬:০৪:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব আমেরিকানদের গৃহস্থালি ঋণ ১৮.৮ ট্রিলিয়ন, ক্রেডিট কার্ড ১.২৬ ট্রিলিয়ন ওহাইওতে মসজিদে সাত বছরে তৃতীয় হামলা জনপ্রিয় হচ্ছে তিন বছরের কলেজ ডিগ্রি, তবে আছে বিতর্ক মুসলিম নারীকর্মীর বৈষম্যের অভিযোগে ওক পার্ক সিটির বিরুদ্ধে মামলা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি মহসিন রানা নিহত


প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ
প্রতিদিন ২৫০০ অভিবাসী সীমান্ত অতিক্রম করতে পারবেন
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-০৬-২০২৪
প্রতিদিন ২৫০০ অভিবাসী সীমান্ত অতিক্রম করতে পারবেন দক্ষিণ সীমান্তে অভিবাসীদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে ন্যাশনাল গার্ড


সীমান্তে অভিবাসীদের আগমন নিয়ে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত ৪ জুন মঙ্গলবার দক্ষিণ সীমান্তে আশ্রয় সীমিত করার লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশ ঘোষণা করেন। এর ফলে সীমান্ত অতিক্রমকারী অভিবাসীদের সংখ্যা হ্রাস পাবে। এই আদেশের ফলে দৈনিক ২৫০০ অভিবাসী সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করতে পারবেন। গড়ে এর বেশি অভিবাসী অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশন করলে ইউএস কাস্টম এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়ের আবেদনগুলি আর গ্রহণ করবে না। তাদের ফিরিয়ে দেবেন। সংখ্যাটি ১,৫০০ এ নেমে গেলেই সীমান্তটি পুনরায় চালু করা হবে। বাইডেনের আদেশটি অভিবাসন এবং জাতীয়তা আইনের ধারা ২১২(এফ) এবং২১৫(এ) এর অধীনে ঘোষণা করেন। নতুন নীতির মূল লক্ষ্য হল যারা পূর্ব অনুমোদন ছাড়াই সীমান্ত অতিক্রম করবে তাদের ফিরিয়ে দেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ইউএস সিটিজেন এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসকে। তারা তাদের বহিষ্কারও করতে পারেন। তবে এই আদেশের অধীনে বহিষ্কৃত অভিবাসীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পুনঃপ্রবেশের জন্য ন্যূনতম পাঁচ বছর পর সুযোগ পাবেন এবং এর ব্যত্যয় হলে তারা বিচারের মুখোমুখি হবেন।

হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তার মতে ৪ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে আশ্রয় প্রার্থী অভিবাসীদের ফিরিয়ে দেয়া শুরু করেছে। যদিও নতুন আদেশটি নিশ্চিতভাবে দ্রুত আইনি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে জানিয়েছে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন।

অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিধিনিষেধের ব্যতিক্রম থাকবে:

সঙ্গীহীন অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এ আইন প্রযোজ্য হবে না। যারা নিপীড়ন বা সম্ভাব্য নির্যাতনের কারণে তাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার ভয় প্রকাশ করবেন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাদের স্বাক্ষাতকার নিতে বাধ্য হবেন। বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মতে, নতুন আদেশে আশ্রয়প্রার্থী এবং উদ্বাস্তুদের চিকিৎসার বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলবে। 

নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশনের প্রেসিডেন্ট মুরাদ আওয়াদেহ এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এই আদেশটি বেপরোয়া পদেক্ষেপ এবং রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি। এটি আমাদের জাতির উপর একটি কালো দাগ। এই কার্যনির্বাহী পদক্ষেপটি অনেক পরিবার এবং ব্যক্তিদের ক্ষতি করবে।

শেয়ার করুন