২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৬:৫৪:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার দ্রুত গণনির্বাসনে নতুন বিধি জারি নিউইয়র্ক সিটির আর্থিক সংকট মোকাবিলায় দেড় বিলিয়ন ডলার সহায়তা ঘোষণা ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষের স্বাস্থ্যবীমা ঝুঁকির মুখে কোভিড তহবিল প্রতারণা : ৮ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের দোষ স্বীকার রমজান শান্তির এক মহৎ দর্শনের প্রতীক


এই বাজেট হচ্ছে কালো টাকার বাজেট- মির্জা ফখরুল
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৭-০৬-২০২৪
এই বাজেট হচ্ছে কালো টাকার বাজেট- মির্জা ফখরুল


সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট ‘কালো টাকা‘র বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকালে এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘‘ বাজেট নিয়ে কথা বলার দরকার নেই। আপনি ডেইলি স্টারের ফ্রন্ট পেইজের কার্টূনটা দেখেন যে, একটা বিশাল হাতি কতগুলো সাধারণ কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের ওপরে উঠে বসে আছে…..  এই চমৎকার কার্টুনটা দেখবেন তাহলে বাজেটে চেহারা বুঝে যাবেন।”

‘‘ এই বাজেট হচ্ছে কালো টাকার বাজেট। কালো টাকা কি করে সাদা করা যায় তার বাজেট, কি করে দূর্নীতি আরও বেশি করে করা যাবে তার বাজেট। মাল দেয়া যায় তার বাজেট, কি করে দুর্নীতি আরও বিস্তৃত করা যায় তার বাজেট।”

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ ট্রান্সপোর্ট সেক্টার সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি এই সেক্টারে তাই না ভাই। ট্রান্সপোর্ট সেক্টারে সবচেয়ে বেশি চুরি হয় বলেই সেই কারণে দেখানে করাপশন বেশি। আনপ্রোডাক্টিভ খাতগুলো… ট্রান্সপোর্ট সেক্টোরে আমাদের অবকাঠামো তৈরি হয় ঠিকই আছে… কিন্তু অবকাঠামোগুলো তো উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।”

‘‘ এখানে দেখুন, বাজেটে ক্যাপিটাল ম্যাসিনারিজের ওপর ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। ক্যাপিটাল ম্যাসিনারিজে ট্যাক্স বাড়ানো অর্থ কি? অর্থ হচ্ছে এখানে যেন ইন্ডাস্ট্রি না হয়।যন্ত্রপাতি যাতে আমদানি করতে না পারে, কলকারাখানা না হয়।”

‘কর্মসংস্থান কোথায়?’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ কর্মসংস্থান কোথায়?মানুষ কাজ পায় না। ঢাকা শহর থেকে আমাদের এখানে যারা ছোট-খাটো ব্যবসা-বানিজ্য করতো, চাকুরি করতো তারাও সব গ্রামে চলে যাচ্ছে।”

‘‘ কিন্তু গ্রামে গিয়েও কোনো লাভ নাই, কাজ নাই।একটা ভয়াবহ অবস্থা।”

তিনি বলেন, ‘‘ একজন এখানে বলেছেন, কৃষি বিপ্লব, শিল্প বিপ্লব… এইসব কথা বলে কোনো লাভ হবে না। যদি আমরা এই ভয়াবহ দানব মনোস্টার… পুরোপুরি মনোস্টার একে যতক্ষন পর্যন্ত সরাতে না পারবো ততক্ষন পর্যন্ত আমার তথা সাধারণ মানুষের পকেটে টাকা আসবে না।”

‘‘ অনেকে বলেছেন, এই সরকার মিথ্যার ওপরে টিকে আছে। সকল পরিসংখ্যান ফলস, বানানো তৈরি করা। আপনি কার ওপরে ভিত্তি করে প্ল্যানিং করবেন? সর্বত্র এখন বেনজীরের দুর্নীতি… এখন সব দিকে বেনজীর…আমাদের সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর, আমাদের সাবেক সেনা প্রধান তিনিও বেনজীর….।”

এই অবস্থা থেকে উত্তরণে তরুন প্রজন্মকে জাগিয়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।

সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ের মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী দলের উদ্যোগে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘শহীদ জিয়াউর রহমানের গৃহীত কর্মসূচি ও নীতি : বাংলাদেশের কৃষি বিপ্লব ও পল্লী উন্নয়নের মূলভিত্তি’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী দলের অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডির সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম কেন্দ্রীয় নেতা শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীসহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বক্তব্য রাখেন।



শেয়ার করুন