২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৪:১৪:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ ১০ মার্চ থেকে শুরু ১৮ দিনে ৬৩০ কিলোমিটার পথ হেঁটে পাড়ি দিলেন মাসফিকুল আশ্রয়প্রার্থীদের কাজের অনুমতিতে কঠোর কড়াকড়ি ঝুলে গেল ট্রাম্পের ২ হাজার ডলারের ট্যারিফ ডিভিডেন্ড চেক পরিকল্পনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশে বৃদ্ধি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার


ড. কামাল হো সেনের
হত্যা, নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের তত্বাবধানে তদন্ত দাবী
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০৮-২০২৪
হত্যা, নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের তত্বাবধানে তদন্ত  দাবী


হত্যার ঘটনা
 হত্যা, নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের তত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক জড়িতদের শাস্তির দাবী করেছেন দেশবরেণ্য আইনজীবি ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে “দেখামাত্র গুলির নির্দেশ” এবং আইন বহির্ভূত হত্যাকান্ড গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন-ড. কামাল হোসেন।

বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা ও প্রবীন রাজনীতিবিদ, গণফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন এক বিবৃতিতে শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ‘‘দেখামাত্র গুলির নির্দেশ’’ দেওয়া এবং  আইন বহির্ভূত হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচারের সম্মুখীন করার দাবী জানিয়েছেন।

একইসাথে অরাজনৈতিক এ আন্দোলনকালে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীসহ অনেক শান্তিপ্রিয় নাগরিক নিহত, হাজার হাজার মানুষ আহত ও গণগ্রেফতার, গণনির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিবৃতিতে ড. কামাল হোসেন বলেন কোটা সংস্কারের দাবীতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে বিপুল সংখ্যক ছাত্র ও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ও গুরুতর আহত করা দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার পরিপন্থি ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি বলেন, এই আন্দোলন চলাকালে নাশকতামূলক কর্মকান্ডে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে, যা কোনো ভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। তবে মনে রাখতে হবে মানুষের প্রাণের মূল্য দুনিয়ার সমস্ত সম্পদ বা স্থাপনার চেয়েও অনেক বেশী। স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এসব প্রাণহানি ও নাশকতার জন্য যারা দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী শাস্তির দাবী জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন এই অজুহাতে ভিন্নমতের কাউকে দমন-পীড়ন বা সাধারণ মানুষকে হয়রানী কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে ড. কামাল হোসেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবীর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি গণগ্রেফতারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হয়রানী বন্ধ, সারা দেশের সকল আটককৃত ছাত্র-জনতার মুক্তিদানসহ অবিলম্বে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।


শেয়ার করুন