২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৬:৪১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার দ্রুত গণনির্বাসনে নতুন বিধি জারি নিউইয়র্ক সিটির আর্থিক সংকট মোকাবিলায় দেড় বিলিয়ন ডলার সহায়তা ঘোষণা ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষের স্বাস্থ্যবীমা ঝুঁকির মুখে কোভিড তহবিল প্রতারণা : ৮ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের দোষ স্বীকার রমজান শান্তির এক মহৎ দর্শনের প্রতীক


কলকাতায় আওয়ামী লীগের শীর্ষ চার নেতা ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার
কলকাতা প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১১-১২-২০২৪
কলকাতায় আওয়ামী লীগের শীর্ষ চার নেতা ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, আলম খান মুক্তি ও আব্দুল লতিফ রিপন


‘ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান বান্দে’ গ্রামে এটা একটা প্রবাদ বাক্য। দেশে লুটপাট, খুন, হত্যা, গুম ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতরা বিভিন্নভাবে পালিয়ে বিদেশে চলে গেছেন। এদের অনেকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে অবস্থান করছেন। এমনই এক অবস্থানে কুকীর্তি করে খবরের শিরোনাম হয়েছেন আওয়ামী লীগের সিলেট অঞ্চলের চার শীর্ষনেতা। সংবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারও করেছে কলকাতার যৌথ বাহিনী। 

জানা গেছে, ভারতে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে সিলেটের চার শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে কলকাতার বিধান নগর কমিশনারেট ও মেঘলায় পুলিশের যৌথ বাহিনী। গত ৮ ডিসেম্বর রোববার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার নিউটাউন এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এরপর রাতেই তাদের মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে নেওয়া হয়েছে।

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার যারা

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ রিপন ও সদস্য ইলিয়াস হোসেন জুয়েল। ধর্ষণের ঘটনায় আরো দুইজন আওয়ামী লীগ নেতা পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন- সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসর আজিজ ও সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাশ মিটু।

শিলং পুলিশ জানায়, বাংলাদেশের সিলেট থেকে পালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা শিলংয়ে আসে। সেখানে যে বাসায় তারা অবস্থান করে সেখানেই এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে তারা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছয় জনকে আসামি করে শিলং থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় চার জনকে গ্রেফতার করা হলেও এখনো দুইজন পলাতক রয়েছেন। শিলং পুলিশ আরো জানায়, কলকাতার ওই ফ্ল্যাট থেকে নাসির, মুক্তি, রিপন ও জুয়েল ছাড়াও সুনামগঞ্জের এক ইউপি চেয়ারম্যানকেও গ্রেফতার করেছিল শিলং পুলিশ। পরে সেখানে অবস্থানরত একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের ছাড়াতে তদবির করেন। 

এরপর মামলার এজাহারে নাম না থাকায় ওই ইউপি চেয়ারম্যানকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন