১৬ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ০১:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


বিএনপি নেতা এম এ বাতিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শপথ ও ডিনারে নিমন্ত্রণ পেয়েছেন
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৬-০১-২০২৫
বিএনপি নেতা এম এ বাতিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শপথ ও ডিনারে নিমন্ত্রণ পেয়েছেন এম এ বাতিন


যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা এবং সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এম এ বাতিনকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ এবং ডিনারে অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমেরিকার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাকে এই নিমন্ত্রণ জানানো হয়। মূলত তাকে তিনটি অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রথম অনুষ্ঠান আগামী ১৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। মেক আমেরিকা গ্রেপ এগেইন ভিক্টরি র‌্যালি। এ র‌্যালি ১৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে ওয়াশিংটনের ক্যাপিটাল ওয়ান এরিয়ায়। দ্বিতীয় অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এটি আগামী ২০ জানুয়ারি বেলা ১১টায় এইএস ক্যাপিটালে অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় অনুষ্ঠানটি হবে ২০ জানুয়ারি বিকালে ৬টা ৩০ মিনিটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডিনার অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানটি ওয়ালটারই ওয়াশিংটন কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে।

এ প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে এম এ বাতিন বলেন, তাকে আমন্ত্রণ জানানোয় তিনি গর্ববোধ করছেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এসব অনুষ্ঠানে যোগদানের সুযোগ পাওয়া অবশ্যই সম্মানের। আমেরিকায় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস, কিন্তু কতজন এ প্রেস্টিটিয়াস অনুষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ পান। তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে যেহেতু সম্মানিত করা হয়েছে, সেহেতু তিনি অবশ্যই যাবেন।

উল্লেখ্য, এম এ বাতিন দীর্ঘদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। স্বৈরচারী এরশাদ এবং শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে তিনি সব সময় সক্রিয় ছিলেন। বিক্ষোভ করেছেন বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে। ছুটে গিয়েছেন জাতিসংঘ এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টে।

শেয়ার করুন