২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৭:৩৫:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিউইয়র্কে বন্দুক সহিংসতা রোধে প্রায় ২১ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ প্রচন্ড তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত জনজীবন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ ১০ মার্চ থেকে শুরু ১৮ দিনে ৬৩০ কিলোমিটার পথ হেঁটে পাড়ি দিলেন মাসফিকুল আশ্রয়প্রার্থীদের কাজের অনুমতিতে কঠোর কড়াকড়ি ঝুলে গেল ট্রাম্পের ২ হাজার ডলারের ট্যারিফ ডিভিডেন্ড চেক পরিকল্পনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশে বৃদ্ধি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প


বিএনপি নেতা এম এ বাতিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শপথ ও ডিনারে নিমন্ত্রণ পেয়েছেন
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৬-০১-২০২৫
বিএনপি নেতা এম এ বাতিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শপথ ও ডিনারে নিমন্ত্রণ পেয়েছেন এম এ বাতিন


যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা এবং সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এম এ বাতিনকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ এবং ডিনারে অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমেরিকার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাকে এই নিমন্ত্রণ জানানো হয়। মূলত তাকে তিনটি অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রথম অনুষ্ঠান আগামী ১৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। মেক আমেরিকা গ্রেপ এগেইন ভিক্টরি র‌্যালি। এ র‌্যালি ১৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে ওয়াশিংটনের ক্যাপিটাল ওয়ান এরিয়ায়। দ্বিতীয় অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এটি আগামী ২০ জানুয়ারি বেলা ১১টায় এইএস ক্যাপিটালে অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় অনুষ্ঠানটি হবে ২০ জানুয়ারি বিকালে ৬টা ৩০ মিনিটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডিনার অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানটি ওয়ালটারই ওয়াশিংটন কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে।

এ প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে এম এ বাতিন বলেন, তাকে আমন্ত্রণ জানানোয় তিনি গর্ববোধ করছেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এসব অনুষ্ঠানে যোগদানের সুযোগ পাওয়া অবশ্যই সম্মানের। আমেরিকায় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস, কিন্তু কতজন এ প্রেস্টিটিয়াস অনুষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ পান। তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে যেহেতু সম্মানিত করা হয়েছে, সেহেতু তিনি অবশ্যই যাবেন।

উল্লেখ্য, এম এ বাতিন দীর্ঘদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। স্বৈরচারী এরশাদ এবং শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে তিনি সব সময় সক্রিয় ছিলেন। বিক্ষোভ করেছেন বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে। ছুটে গিয়েছেন জাতিসংঘ এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টে।

শেয়ার করুন