২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ০৯:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ
ভোট ডাকাতির সংসদ ভেঙে দিন
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১১-০১-২০২৩
ভোট ডাকাতির সংসদ ভেঙে দিন বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ


বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃবৃন্দ সরকারকে অবৈধ বলে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে এদের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে সংসদ ভেঙে দিতে বলেছেন। এর বদলে তারা তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচনের আহবান জানিয়েছেন সরকারের কাছে। এর পাশাপাশি তারা বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা বন্ধসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবি জানান। 

বাম গণতান্ত্রিক জোটের ডাকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে গত ৯ জানুয়ারি সোমবার এক সমাবেশে তারা এ আহবান জানান। জোটের ভাষায় বর্তমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদী সরকারের পদত্যাগ, ভোট ডাকাতির সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠান, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি চালুসহ নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের পুনরায় মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা বন্ধ, নিত্যপণ্যের দাম কমানো, দুর্নীতি-অপচয় ও টাকা পাচার বন্ধের দাবিতে দেশব্যাপী এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি)’র সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকম-লীর সদস্য অধ্যাপক আব্দুর সাত্তার, বাসদ (মার্কসাদী)’র সমন্বয়ক মাসুদ রানা, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির আমেনা বেগম প্রমুখ। 

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতার ৫১ বছর পার হলেও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আজও বাস্তবায়িত হয়নি। স্বাধীনতার পর থেকেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপরীতে দেশ পরিচালনা করায় দেশের এই অবস্থা হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার উন্নয়নের যে ঢাক পিটাচ্ছে তার নিচে চাপা পড়ছে জনগণের চাপা কান্না। বাক স্বাধীনতা, সভা সমাবেশের স্বাধীনতা নেই। একের পর এক অগণতান্ত্রিক আইনে জনগণের কণ্ঠকে স্তব্ধ করা হচ্ছে। সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে চালসহ নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। অর্থনৈতিক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফেরৎ দিচ্ছে না, বিদেশে পাচার করে দিচ্ছে। সরকারের ভুলনীতি-দুর্নীতি-অপচয়ের ফলে দফায় দফায় বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানির দাম বাড়িয়ে বেঁচে থাকাটাই দায় করে ফেলেছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনার আঘাত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই মূল্যস্ফীতি চরম আকার নিয়েছে। এ অবস্থাায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি হবে মরার উপর খাড়ার ঘা এর সামিল। নেতৃবৃন্দ বলেন, মূল্য বৃদ্ধি, মূল্য স্ফীতির কষাঘাতে জর্জরিত মানুষের ভোটাধিকার পযন্ত বর্তমান সরকার কেড়ে নিয়েছে। এ অবস্থার হাত থেকে দেশ ও জনগণকে মুক্তি পেতে হলে এই সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিকল্প নেই। গণতন্ত্র, ভোট-ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।

শেয়ার করুন