০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৮:৩৮:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওয়ারেন্ট ছাড়া বাড়িতে প্রবেশের গোপন নীতি আইসের উবার ও লিফট চালকদের অধিকার রক্ষায় ডিঅ্যাকটিভেশন বিল পাস ৩ লাখ অভিবাসী শিশুর খোঁজে ফেডারেল অভিযান, ১.৪৫ লাখ শনাক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা গুলিতে আহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক, পুলিশের বক্তব্যে পরিবারের আপত্তি ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরে আইসকে বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি আইস সাতটি নতুন অভিবাসী আটক কেন্দ্র চালুর কথা ভাবছে সুপ্রিম কোর্টের রায় নির্ধারণ করবে ২ হাজার ডলারের স্টিমুলাস চেকের ভাগ্য ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান


সংখ্যালঘুদের বিক্ষোভ জাতিসংঘের সামনে
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-১০-২০২৫
সংখ্যালঘুদের বিক্ষোভ জাতিসংঘের সামনে জাতিসংঘের সামনে ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ


ইউনাইটেড ন্যাসন্সের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপ্রধানদের বক্তব্য প্রদান চলাকালে ইউএন ভবন সংলগ্ন দ্যাগ হেমারশোল্ড প্লাজায় ‘একাত্তরের প্রহরী’ ও ‘ইউনাইটেড হিন্দুজ অব ইউএসএ’ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। 

সংগঠনের সভাপতি ভজন সরকারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রামদাস ঘরামীর সঞ্চালনায় প্রায় তিন ঘণ্টা স্থায়ী ওই সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদসহ নিউইয়র্ক শহরের প্রায় সব মন্দিরের প্রতিনিধিরা স্ব-স্ব সংগঠনের ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন। 

সভায় ইউনাইটেড হিন্দুজের বক্তাদের মধ্যে ছিলেন ভবতোষ মিত্র, রামদাশ ঘরামী, সঞ্জিৎ ঘোষ, উত্তম সাহা, জয়দেব গায়েন, প্রিতুষ বালা, গোপাল শান্যাল সুবল দেব নাথ প্রমুখ। 

যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষে বক্তব্য পেশ করেন সংগঠনের সিনিওর পলিসি ডিরেক্টর শিতাংশু গুহ, অন্যতম সভাপতি ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্য ও সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণু গোপ। উপস্থিত বিভিন্ন সংগঠনের অনেক বক্তার মধ্যে ছিলেন জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন যুক্তরাষ্ট্র শাখার চেয়ারম্যান শ্যামল চক্রবর্তি, রাধামাধব মন্দিরের রমেশ নাথ ও মহামায়া মন্দিরের ধ্রুব চক্রবর্তী। 

বিক্ষোভে অধিকাংশ বক্তার মূল দাবি ছিল চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ প্রভুকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তিদান, দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বন্ধ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মিথ্যে অজুহাতে পরেশ শীলদের মতো নিরপরাধ মানুষকে মারধর করে কারারুদ্ধ করা এবং বিচারপতির মতো উঁচু পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার বিদ্যমান সংস্কৃতি বন্ধ করা। 

শেয়ার করুন