২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ০১:৫৭:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


মিথ্যা তথ্যে আন এমপ্লয়মেন্ট গ্রহণকারী সনাক্ত ও চার্জশিট প্রদান শুরু
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৮-০২-২০২৩
মিথ্যা তথ্যে আন এমপ্লয়মেন্ট গ্রহণকারী সনাক্ত ও চার্জশিট প্রদান শুরু


মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কোভিড-১৯ মহামারিকালে যারা আন এমপ্লয়মেন্ট গ্রহণ করেছে তাদের সনাক্তের কাজ শুরু হয়েছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নেয়াদের শাস্তির সম্মুখীন করার উদেশ্যে সরকার ইতিমধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করেছে। 

রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান কর্তৃক আন এমপ্লয়মেন্ট নিয়ে প্রতারণার বিষয়টি তদন্তের দাবি করলে যুক্তরাষ্ট্র সরকার তা তদন্ত শুরু করে। ইউএস গভর্নমেন্ট একাউন্টিবিলিটি অফিস (জিএও) বলেছে ২০২০ সালের মার্চে কোভিড-১৯ শুরুর পর থেকে ২০২২ মার্চ পর্যন্ত প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে আন এমপ্লয়মেন্ট গ্রহণের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ চার দশমিক তিন বিলিয়ন ডলার। তবে তাদের মতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন হলে এই সংখ্যা দশগুণ কিংবা তার চেয়েও বেশি হতে পারে। প্রতারণাকারীদের সনাক্তের কাজ অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে মিশিগান স্টেটে ৫৪ জনকে সনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। এই স্টেটে প্রতারকরা আট দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলার মেরে দিয়েছে। 

জিএও বলছে, পেনডেমিকের সময় রেগুলার আনএমপ্লয়মেন্ট গ্রহণকারীদের সাথে তিনটি টেম্পরারি আনএমপ্লয়মেন্ট গ্রহীতার ৬০ বিলিয়ন প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে। প্রতারকরা মিথ্যা তথ্য প্রদান কিংবা অন্যের আইডেন্টিটি চুরি করে এক স্টেটের বেশি স্টেট থেকে আন এমপ্লয়মেন্ট ক্লেইম করেছে। এছাড়া সংঘবদ্ধ গ্রুপও এই প্রতারণার সাথে যুক্ত হয়ে করেছে অর্থ আত্মসাত। এর মধ্যে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশীও রয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ নজরদারিতে রয়েছেন। রয়েছেন এক ধরনের আতঙ্কের মধ্যে।

উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ মহামারিকালে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকার আন এমপ্লয়মেন্টের জন্য আট শ’ আশি বিলিয়ন ডলার বরাদ্ধ করে। কংগ্রেস নতুন আইন পাশ করে বেকারদের খাদ্য, বাসস্থান ভাড়া, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মত ইউটিলিটির ব্যয়ভার বহনের জন্য ঐ অর্থ সংস্থান রাখে। ফেডারেল ফান্ডে মাসিক বেকার ভাতার পরিমাণ পূর্বের চেয়ে বৃদ্ধির সাথে টেম্পোরারি আন এমপ্লয়মেন্ট গ্রহণের সময় বাড়ানো হয়েছিল। 

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের হাউস ওয়েজ এন্ড মিলস কমিটির চেয়ারম্যান কংগ্রেসম্যান জেসন স্মিথ (রিপাবলিকান এমও) বলেছেন, তার দল বহু আগে থেকেই প্রতারণার বিষয়টি সামনে এনেছে। তদন্তের ফলে তাদের দাবির সত্যতা মিলেছে। তিনি আরো বলেন, ডেমোক্রেটরা তাদের অভিযোগ আমলে না নিয়ে বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে।

উল্লেখ্য, এই বিশাল প্রতারণার তদন্তে স্টেট ও লেভার ডিপার্টমেন্টসহ সরকারি নানা সংস্থা যুক্ত রয়েছে। 

শেয়ার করুন