২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৪:৩১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ ১০ মার্চ থেকে শুরু ১৮ দিনে ৬৩০ কিলোমিটার পথ হেঁটে পাড়ি দিলেন মাসফিকুল আশ্রয়প্রার্থীদের কাজের অনুমতিতে কঠোর কড়াকড়ি ঝুলে গেল ট্রাম্পের ২ হাজার ডলারের ট্যারিফ ডিভিডেন্ড চেক পরিকল্পনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশে বৃদ্ধি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার


স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে জাতিসংঘ
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৩-২০২৩
স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে জাতিসংঘ বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুয়েন লুইস


স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে জাতিসংঘ। গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুয়েন লুইস এক বিবৃতিতে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘অসাধারণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য বৈশ্বিক মঞ্চে নেতৃত্ব এবং প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে স্বাগত ও আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনেক অর্জন রয়েছে।’

গুয়েন লুইস বলেন, ‘বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় মানুষের আতিথেয়তা একটি দেশের বিভিন্ন দিকের মধ্যে একটি, যা আমি ও আমার সহকর্মীরা প্রতিদিন অনুভব করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতার ৫২তম বার্ষিকীতে (৫৩তম দিবস) আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।’ তিনি আরো বলেন যে, বিগত ৫২ বছরে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হওয়া, ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো এবং ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের পরিকল্পনা এই দেশের অগ্রগতির স্মারক। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকারকে পুরোপুরি সমর্থন করে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক এবং আমাদের (জাতিসংঘ) অভিন্ন মূল্যবোধের প্রশংসা করে।’

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী অফিস বলেছে যে, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার আগেই গৃহীত দেশের সংবিধান মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। বাক স্বাধীনতা, ধর্ম, আন্দোলন ও সমাবেশের অধিকার, নিজের ভাষায় কথা বলার অধিকার এবং জাতিসংঘ সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অন্যান্য অধিকারকে এই সংবিধান স্বীকৃতি দেয় । গুয়েন লুইস বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।’

শেয়ার করুন