০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৩:০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ওয়ারেন্ট ছাড়া বাড়িতে প্রবেশের গোপন নীতি আইসের উবার ও লিফট চালকদের অধিকার রক্ষায় ডিঅ্যাকটিভেশন বিল পাস ৩ লাখ অভিবাসী শিশুর খোঁজে ফেডারেল অভিযান, ১.৪৫ লাখ শনাক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা গুলিতে আহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক, পুলিশের বক্তব্যে পরিবারের আপত্তি ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরে আইসকে বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি আইস সাতটি নতুন অভিবাসী আটক কেন্দ্র চালুর কথা ভাবছে সুপ্রিম কোর্টের রায় নির্ধারণ করবে ২ হাজার ডলারের স্টিমুলাস চেকের ভাগ্য ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান


মার্কিন আদালতের রায়
লেখিকা ক্যারলের উপর যৌন নিপীড়ন : ট্রাম্পের ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১০-০৫-২০২৩
লেখিকা ক্যারলের উপর যৌন নিপীড়ন : ট্রাম্পের ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ক্যারল


গত ৯ মে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি আদালত জানিয়েছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখিকা ই জিন ক্যারলের ওপর যৌন নিপীড়ন চালিয়েছিলেন। তবে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে রেহাই পেয়েছেন ট্রাম্প। নব্বইয়ের দশকে একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে যৌন নিপীড়ন ও হেনস্তার ঘটনার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ওই লেখিকা প্রায় ৫০ লাখ ডলার পাবেন। তবে এ মামলার রায়ের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প আদালতে হাজির ছিলেন না। ছয়জন পুরুষ ও তিনজন নারীর সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ডের সামনে একটি ভিডিও দেখানো হয়। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্প ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করছেন। নিউইয়র্কে একটি আইন পাস হয়েছে, সে অনুযায়ী ভুক্তভোগী কেউ চাইলে যৌন নিপীড়নের ঘটনার বহু বছর পরও অভিযোগ আনতে পারেন। এই আইনে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করে বিচার পেলেন লেখিকা ই জিন ক্যারল।

তবে ট্রাম্পের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং বলেছেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে ট্রাম্প আপিল করবেন। অবশ্য আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে ক্ষতিপূরণের অর্থ দিতে হবে না। ইতিমধ্যে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

এই দেওয়ানি মামলার বিচারকাজ চলাকালে দেওয়া সাক্ষ্যে ক্যারল (৭৯) বলেছেন, ১৯৯৫ বা ৯৬ সালে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের বার্গডর্ফ গুডম্যান ডিপার্টমেন্ট স্টোরের পোশাক পরিবর্তন কক্ষে ট্রাম্প তাঁকে ধর্ষণ করেছিলেন। এরপর ২০২২ সালের অক্টোবরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে এ দাবিকে ‘প্রতারণা’ ও ‘মিথ্যাচার’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প তাঁর মানহানি করেছেন।

ম্যানহাটন ফেডারেল কোর্টে নয় সদস্যের জুরি ক্যারলকে ক্ষতিপূরণ ও জরিমানা হিসেবে ৫০ লাখ ডলার প্রদানের আদেশ দেন। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্মতি ছাড়া শারীরিক স্পর্শের জন্য ২০ লাখ ডলার আর মানহানি করায় ৩০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। অবশ্য ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

গত ২৫ এপ্রিল শুরু হওয়া এই বিচারকাজের পুরোটা সময় অনুপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প। তাঁর ভিডিও বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এই রায়কে ‘অসম্মানজনক’ অভিহিত করেছেন সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, ‘এই নারী সম্পর্কে আমার কোনো রকম ধারণা নেই।’

ধর্ষণের অভিযোগকারী নারীকে সাবেক স্ত্রী ভেবে ভুল করেন ট্রাম্প। তার ভিডিও বার্তাটি আদালতে ৯ সদস্যের বিচারপতি দলকে দেখানো হয়।

উল্লেখ্য, প্রথম কোনো প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিমধ্যে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছেন ট্রাম্প।

শেয়ার করুন