০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০৮:২০:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


হামলাকারী গ্রেফতার
ফিলাডেলফিয়ায় ঈদের নামাজে সশস্ত্র হামলার চেষ্টা ব্যর্থ
ফিলাডেলফিয়া থেকে মোহাম্মদ ইসলাম
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৪-২০২৫
ফিলাডেলফিয়ায় ঈদের নামাজে সশস্ত্র হামলার চেষ্টা ব্যর্থ হামলাকারীকে গ্রেফতার করছে পুলিশ


গত ৩০ মার্চ ফিলাডেলফিয়ার বুইস্ট এভিনিউ ও বোনাফন স্ট্রিটের কাছে ঈদুল ফিতরের নামাজের সময় এক সশস্ত্র হামলার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করা হয়েছে। এক শ্বেতাঙ্গ পুরুষ একটি অটোমেটিক রাইফেলসহ নামাজের স্থানের কাছে আসে এবং গণহত্যার পরিকল্পনা করছিলো। 

সৌভাগ্যবশত, এক সতর্ক নাগরিক তার অস্বাভাবিক আচরণ ও অস্ত্রের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ সন্দেহভাজনকে গ্রেপতার করে এবং তার কাছ থেকে বড় ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করে। পুলিশ এখন তার মোটিভ ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। 

স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় এই ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একজন মুসল্লি বলেন, ঈদের দিনে এমন ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তবে আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি যে একটি বড় ট্র্যাজেডি রোধ করা সম্ভব হয়েছে। 

এই ঘটনা প্রধান প্রধান গণমাধ্যমে এখনও ব্যাপকভাবে প্রচারিত না হলেও স্থানীয় কমিউনিটি নেতারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতা ও সতর্কতা জারি করেছেন। ফিলাডেলফিয়া পুলিশ বিভাগ মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ধর্মীয় স্থানগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। 

স্থানীয় নেতারা সকলকে সতর্ক থাকতে এবং কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করেছেন। এ প্রসঙ্গে বেসাপের এক প্রতিনিধি বলেন, এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে একতা ও সচেতনতাই কমিউনিটিকে সুরক্ষিত রাখে। বিভেদ বা অভ্যন্তরীণ সংঘাত আমাদের দুর্বল করে। বিশেষ করে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অভিবাসী সম্প্রদায়গুলোর প্রতি নজরদারি বাড়ছে। আমাদেরকে নাগরিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

শেয়ার করুন