০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০৮:৪৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


মার্কিন মুখপাত্রের প্রশ্ন
বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনে অন্যদের আপত্তি কেন?
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-০৭-২০২৩
বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনে অন্যদের আপত্তি কেন? মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রধান মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার


বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে রাশিয়া, চীন এবং ইরানের সমালোচনার জবাবে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রধান মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সত্যিকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে।

গত ১০ জুলাই সোমবার স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ম্যাথিউ মিলার হাসি দিয়ে বিস্ময়ের সুরে বলেন, আমি বুঝতে পারছি না, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমাদের দাবির প্রতি কেউ কেনো আপত্তি জানাবে! বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতির কথা নিজেই বারবার বলেছেন। যেটা আমরাও বলেছি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫০ বছরের অংশীদারিত্ব ও বন্ধুত্ব। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কাউকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে আমরা সমর্থন করিনি। আমরা সত্যিকারের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন করি। এর আগে আরেকটি প্রশ্নের জবাবে আমি বলেছি- অন্য কোনো দেশ যখন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করে তখন সেটাকে আমরা হস্তক্ষেপ বলে মনে করি না। বরং এমন সমালোচনাকে আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার সহায়ক হিসেবে মনে করি। জানি না অন্য দেশগুলো কেন এ বিষয়ে আপত্তি জানাবে!

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়ার নেতৃত্বাধীন বাইডেন প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফর প্রসঙ্গে আরেক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র মিলার বলেন, আন্ডার সেক্রেটারি জেয়া  বাংলাদেশ সফরকালে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তিনি মানবাধিকার, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট, শ্রম, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং মানব পাচার প্রতিরোধ নিয়ে কথা বলবেন। তাছাড়া, তিনি মতপ্রকাশ ও সংগঠনের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, শ্রম, পিছিয়ে থাকা গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি, আইনের শাসন এবং গণতন্ত্র নিয়ে সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

শেয়ার করুন