২৫ মে ২০১২, শনিবার, ০৭:৫৫:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক শাস্তি তাকে পেতেই হবে- ওবায়দুল কাদের মানুষের ক্ষতি যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ মেয়াদোত্তীর্ণ নৌযান ও নদী দখল-দূষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ুন - পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের শান্তিরক্ষা মিশন থেকে বাদ দেয়া হবে- ডোজারিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সমাবেশ হেলিকপ্টার দূর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট সহ অন্যান্যদের মৃত্যুতে বিএনপির শোক ভারতে ঘুরতে যেয়ে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য খুন তামাকমুক্ত লক্ষ্য অর্জনে শক্তিশালী তামাককরের বিকল্প নেই


জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের রায় আপিলেও বহাল রেখেছে
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৯-১১-২০২৩
জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের রায় আপিলেও বহাল রেখেছে


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল (লিভ টু আপিল) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকল।  

রোববার (১৯/১১/২৩) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ৬ বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিকে রোববার শুনানির বিষয়ে দিন ধার্য থাকলেও হরতালে আসতে পারবেন না বলে জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবীরা ছয় সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করেন।  কিন্তু তা আদালত গ্রহণ করেননি।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক দল হিসেবে ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিবন্ধন দেয় নির্বাচন কমিশন। ওই নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করেন তরীকত ফেডারেশনের তৎকালীন মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি। পরে জামায়াতকে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন ২০১৩ সালের ১ আগস্ট অবৈধ বলে রায় দেন হাইকোর্ট। পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে জামায়াতে ইসলামী আপিল বিভাগে আবেদন করে। ওই আবেদন চলতি বছর শুনানির উদ্যোগ নেয় রিটকারী পক্ষ।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে গত জুনে আপিল বিভাগে পৃথক আবেদন করেন তরীকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ কয়েকজন। তানিয়া আমীর ও আহসানুল করিম জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়ে শুনানি করতে চান। এ সময় আদালত বলেন, এটি হাইকোর্টের রায়। আপনারা আদালত অবমাননার বিষয়ে প্রপার বেঞ্চে যেতে পারেন।

শেয়ার করুন