২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ০২:০১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার অভিবাসী
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৭-১২-২০২৩
মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার অভিবাসী মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে অভিবাসীরা


২০২২ সালের জুনের পর মেক্সিকো সীমান্তে সবচেয়ে বেশি মানুষ জড়ো হয়েছেন বলে মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি। প্রায় ৬ হাজার মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ। মেক্সিকোর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই মানুষের দল সীমান্তে এসে পৌঁছেছেন। সীমান্তেই বড়দিন পালন করেছেন তারা।

এই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা মূলত সেন্ট্রাল যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্যারিবিয়ান দেশগুলো থেকে এসেছেন বলে জানা গেছে। মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তাপাচুলা থেকে ১৫ কিলোমিটার হেঁটে তারা সীমান্তে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। গত ২৪ ডিম্বের সোমবার ভোর ৪টা নাগাদ তারা সীমান্ত পার করার পরিকল্পনা করছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিবাসনপ্রত্যাশী হন্ডুরাসের নাগরিক ক্রিশ্চিয়ান রিভেরা সংবাদসংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, ‘প্রায় তিন-চার মাস ধরে আমরা সীমান্ত পার করার চেষ্টা করছি। কিন্তু কেউ আমাদের কথা শুনছিল না। তাই আমরা মিছিল করে সীমান্ত পারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ বাড়ির সবাইকে হন্ডুরাসে রেখে একাই সীমান্ত পার করার চেষ্টা করছেন রিভেরা। যুক্তরাষ্ট্রয় গিয়ে কাজ জুটিয়ে বাকি সবাইকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।

মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের এই বিশাল মিছিল বাইডেনের অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসননীতি নিয়ে চাপ তৈরি করছিলেন রিপাবলিকানরা। ইউক্রেন যুদ্ধের বাজেট কমিয়ে সেই অর্থ অভিবাসন নীতিকে ব্যবহারের দাবি তুলেছে তারা। সীমান্তে পাঁচিল তোলার কথাও বলা হয়েছে।

অন্যদিকে গত মে মাসে জো বাইডেনের প্রশাসন মেক্সিকোর সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। ভেনেজুয়েলা, নিকারাগুয়া, কিউবা থেকে আসা যে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যুক্তরাষ্ট্র ঢুকতে দেয়নি, মেক্সিকোকে তাদের জায়গা দিতে হবে। মেক্সিকো এই চুক্তি মেনে নিয়েছে। কিন্তু বিরাট এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মিছিলের কী ব্যবস্থা করবে মেক্সিকো? তৈরি হয়েছে বিরাট প্রশ্ন চিহ্ন।

শেয়ার করুন