২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৪:১৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ ১০ মার্চ থেকে শুরু ১৮ দিনে ৬৩০ কিলোমিটার পথ হেঁটে পাড়ি দিলেন মাসফিকুল আশ্রয়প্রার্থীদের কাজের অনুমতিতে কঠোর কড়াকড়ি ঝুলে গেল ট্রাম্পের ২ হাজার ডলারের ট্যারিফ ডিভিডেন্ড চেক পরিকল্পনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশে বৃদ্ধি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্টারমার দৈনিক সময়ের আলো‘র উপদেষ্টা সম্পাদক হয়েছেন শায়রুল কবির খান নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যানজটে সিগন্যাল মেনেই গাড়ীতে অফিস করছেন প্রধন মন্ত্রী তারেক রহমান সন্তানের ভরণপোষণ বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিলের উদ্যোগ জোরদার


কারাগারে মেজর (অবঃ) হাফিজ
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-০৩-২০২৪
কারাগারে মেজর (অবঃ) হাফিজ কারাগারে নেয়া হচ্ছে মেজর (অব:) হাফিজকে


দুই হাঁটুতে অস্ত্রোপচার এবং সে জন্য হুইল চেয়ারে চলাফেরা করা মেজর (অবঃ) হাফিজকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২০১১ সনের এক মামলায় তার জামিনের আবেদন নামঞ্চুর করে ওই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৫/৩/২৪) ঢাকার মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ নির্দেশ দেন। এর আগে ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে আদালতে আত্মসমর্পণপূর্বক জামিন চেয়ে আবেদন করেন মেজর (অবঃ) হাফিজ। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

ভারতে চিকিৎসা থেকে ফেরা 

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর হাঁটুতে অস্ত্রোপচারের চিকিৎসার জন্য দুপুর আড়াইটার দিকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করেন মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। ভারতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় গত ২৮ ডিসেম্বর আদালত তার ২১ মাসের কারাদ- দেন। পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেন। পরে গত ৩ মার্চ ভারতে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরেন তিনি। এ সময় তিনি হুইল চেয়ারে বসে চলাফেরা করছিলেন। যেহেতু হাঁটুতে অস্ত্রোপচার, তাই তাকে ভরসা করতে হচ্ছে হুইল চেয়ার। 

মামলায় যে অভিযোগ 

মেজর (অবঃ) হাফিজ এর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ৪ জুন গুলশান থানাধীন মহাখালী ওয়ারলেস গেট এলাকা অবস্থিত পানির ট্যাংকির সামনে রাস্তার উপর অবৈধ সমাবেশ থেকে পুলিশের কাজে বাঁধা দেন এবং তাদের আক্রমণ করেন। 

ওই সময় রাস্তার চলাচলরত গাড়ি ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দেন। ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের পর গুলশান থানার এসআই কামরুল হাসান তালুকদার আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২২ সালের ২৫ এপ্রিল এ মামালায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটির বিচার চালাকালীন সময়ে আদালত ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। গত ২৪ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। সেখানেই মামলার রায় হয়।

শেয়ার করুন