০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০৫:৩১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


কারাগারে মেজর (অবঃ) হাফিজ
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-০৩-২০২৪
কারাগারে মেজর (অবঃ) হাফিজ কারাগারে নেয়া হচ্ছে মেজর (অব:) হাফিজকে


দুই হাঁটুতে অস্ত্রোপচার এবং সে জন্য হুইল চেয়ারে চলাফেরা করা মেজর (অবঃ) হাফিজকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২০১১ সনের এক মামলায় তার জামিনের আবেদন নামঞ্চুর করে ওই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৫/৩/২৪) ঢাকার মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ নির্দেশ দেন। এর আগে ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে আদালতে আত্মসমর্পণপূর্বক জামিন চেয়ে আবেদন করেন মেজর (অবঃ) হাফিজ। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

ভারতে চিকিৎসা থেকে ফেরা 

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর হাঁটুতে অস্ত্রোপচারের চিকিৎসার জন্য দুপুর আড়াইটার দিকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করেন মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। ভারতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় গত ২৮ ডিসেম্বর আদালত তার ২১ মাসের কারাদ- দেন। পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেন। পরে গত ৩ মার্চ ভারতে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরেন তিনি। এ সময় তিনি হুইল চেয়ারে বসে চলাফেরা করছিলেন। যেহেতু হাঁটুতে অস্ত্রোপচার, তাই তাকে ভরসা করতে হচ্ছে হুইল চেয়ার। 

মামলায় যে অভিযোগ 

মেজর (অবঃ) হাফিজ এর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ৪ জুন গুলশান থানাধীন মহাখালী ওয়ারলেস গেট এলাকা অবস্থিত পানির ট্যাংকির সামনে রাস্তার উপর অবৈধ সমাবেশ থেকে পুলিশের কাজে বাঁধা দেন এবং তাদের আক্রমণ করেন। 

ওই সময় রাস্তার চলাচলরত গাড়ি ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দেন। ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের পর গুলশান থানার এসআই কামরুল হাসান তালুকদার আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২২ সালের ২৫ এপ্রিল এ মামালায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটির বিচার চালাকালীন সময়ে আদালত ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। গত ২৪ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। সেখানেই মামলার রায় হয়।

শেয়ার করুন