১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০৩:০১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ ‘দেশের গ্রেট প্লেয়ার সিমপ্যাথি ছিল,আসলে সে খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ মসজিদ নির্মাণে অনুমতি না দেওয়ায় ব্রোকেন অ্যারো সিটির বিরুদ্ধে মামলা ২৫ হাজার ডলার লুটের অভিযোগ, দুই বাংলাদেশি গ্রেফতার বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য ভিসা বন্ড স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে হাসপাতালে ১, গ্রেফতার ১ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান নিউইয়র্কে আইসের মুখোশ নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ


যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৯-০৬-২০২৪
যুক্তরাষ্ট্র আ.লীগের শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত বক্তব্য রাখছেন সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান


আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র আওযামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। গত ১১ জুন মঙ্গলবার নবান্ন পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং প্রচারও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল হামিদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক দুরুদ মিয়া রনেল, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক নাফিকুর তুরান, উপ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক, সদস্য সাহানারা রহমান, সাহাদত হোসেন, মেহরাজ ফাহমি, যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, রায়হান মাহমুদ, ছাত্রলীগ নেতা হায়দার মাহমুদ, সঞ্জিত হোসেন প্রমুখ।

ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, তথাকথিত এক-এগারোর সরকার গভীর যড়ষন্ত্র করে মিথ্যা মামলা দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কারাগারে বন্দি করে রেখেছিলেন। কিন্ত তাদের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আন্দোলন ও বিশ্বনেতাদের চাপে অবশেষে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন।

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

উল্লেখ্য, সেনাসমর্থিত এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় (২০০৭ সালের ১৬ জুলাই) গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্রেফতারের পর প্রথমে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হয়। সেখান থেকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে তাকে আটক রাখা হয়। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন মুক্তি পান তিনি। কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তখন চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে চিকিৎসার পরামর্শ দেন। এর পরই চিকিৎসার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তার মুক্তির জোরালো দাবি ওঠে। শেখ হাসিনাকে মুক্তি দেওয়া না হলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে যাবে না বলেও ঘোষণা দেয়। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তি পেয়েই শেখ হাসিনা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। এরপর ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয় তাকে। একই বছর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠিত হয়।

শেয়ার করুন