০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০৫:২৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার চীন যাচ্ছেন
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৩-০৭-২০২৪
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


ভারতে দুই দফা সফর শেষে এবার চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৮ জুলাই রওয়ানা হয়ে যাবার কথা প্রধানমন্ত্রীর। ভারতে নরেন্দ্রমোদীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার পর ১০ দিনের ব্যাবধানে আবারও নয়াদিল্লি সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে চীনের এ সফর তারও পূর্বে নির্ধারিত। বাংলাদেশের বিদ্যমান নানা সংকট থেকে উত্তরণে দেশ দু’টির কাছে বড় সহযোগিতা পাওয়ার আশা সরকারের। যদিও দেশ দুটি একে অপরের প্রতিপক্ষ। ফলে এখানে বাংলাদেশকে বেশ সতর্কতার সঙ্গে ফেলতে হচ্ছে পা। তবে কোন দেশ থেকে চাওয়া হচ্ছে আর কী পাওয়া গেছে বা যাবে তার সবটা খোলাসা না হওয়ায় রাজনীতিতে বিস্তর জল্পনা-কল্পনা চলছে। 

ভারতের পক্ষ থেকে মনে করা হচ্ছে বাংলাদেশ ঝুঁকছে চীনের দিকে। অপরদিকে সন্দেহের দোলাচাল চীনেরও, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মাখামাখি একটু বেশিই হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ এগুলোকে খুব সুক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করে এগুতে চায়। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব। আমরা সেটাই করছি। তাদের ভেতরে কী থাকলো সেটা নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। আমরা আমাদের দেশের ও দেশের জনগনের স্বার্থ কোন দেশ থেকে কতটা বেশি উদ্ধার করা যায় সেটাই নজর রাখছি। 

চীন না ভারত কার প্রতি বাংলাদেশ ঝুঁকছে? এমন প্রশ্ন উঠেছিল সরকারপ্রধানের সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে। প্রধানমন্ত্রীর নয়াদিল্লি সফরের পর বেইজিং সফর প্রস্তুতির প্রসঙ্গে প্রশ্নটি এসেছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। 

শীর্ষ বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে যা থাকতে পারে 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বেইজিং সফরকালে দুই দেশের মধ্যে সাতটি সমঝোতা ও চারটি দলিল সই হতে পারে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই), বাণিজ্য সহযোগিতা, বিনিয়োগ সুরক্ষা ডিজিটাল অর্থনীতি, সমুদ্র অর্থনীতি এবং মৈত্রী সেতু নির্মাণ ও সংস্কার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকে আলোচনা হতে পারে তিস্তা প্রকল্পে অর্থায়ন ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়েও। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা ঢাকার অন্যতম মূল এজেন্ডা। মায়ানমারের ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়ে বিপাকে পড়া বাংলাদেশকে সবচেয়ে ভালো সহযোগিতা দিতে পারে চীন। কারণ মায়ানমারের সরকার ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি- উভয়ের সঙ্গে দেশটির ভালো সম্পর্ক রয়েছে। 

শেয়ার করুন