১৬ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ০১:১৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


সংখ্যালঘু ট্রামকার্ড ব্যর্থ : ইসলামি আন্দোলন
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৪-০৮-২০২৪
সংখ্যালঘু ট্রামকার্ড ব্যর্থ : ইসলামি আন্দোলন বক্তব্য রাখছেন মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম


ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেছেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারের লজ্জাজনক পতন হলেও তারা একের পর এক দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে। কখনো রাতের অন্ধকারে মানুষের ঘরে ডাকাতি, কখনো লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির পাঁয়তারা করেছে। সর্বশেষ তারা হিন্দু সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উস্কে দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলো। তাদের হাত ধরে পলাতক আওয়ামী সন্ত্রাসীরাও সক্রিয় হওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলো। কিন্তু সচেতন দেশবাসী ও দেশপ্রেমিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তাদের সকল অসদুদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (শায়েখ চরমোনাই) উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, এদেশে ভারতের মতো প্রকৃত অর্থে কখনো সংখ্যালঘু নির্যাতন হয়নি। কারণ, এদেশে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ। অতীতে যতো হামলা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ হয়েছে, সব হয়েছে রাজনৈতিক হীন স্বার্থে। আজকে যারা সংখ্যালঘু ট্রাম কার্ড ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারাই মূলত সংখ্যালঘুদের শত্রু।

তিনি আরও বলেন, আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বলে কখনো কাউকে বিভাজিত করতে চাই না; বরং দেশের নাগরিক হিসাবে সবাই সমান। প্রত্যেক ধর্মীয় গোষ্ঠি নিজেদের ধর্ম-কর্ম স্বাধীনভাবে করবে এবং মানুষ ও নাগরিক হিসাবে নিজেদের অধিকার পাবে, এমন বাংলাদেশই আমরা চাই।

শেয়ার করুন